Keshpur: ফের শিরোনামে কেশপুর, আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর
Chaos in Keshpur: বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল। কেশপুরের তৃণমূল নেতা মহম্মদ রফিক বলেন, "আমি যতদূর খবর পেয়েছি, ওরা জঙ্গলে পিকনিক করছিল। মদ খেয়ে নিজেদের মধ্যে মারপিট করে। পথে মহিলাদের টোন কাটছিল। তৃণমূলের কেউ এই ঘটনায় যুক্ত নয়। এটা বিজেপির অন্তর্কলহ।"

কেশপুর: বাম আমলে বারবার খবরের শিরোনামে উঠে আসত পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর। রাজনৈতিক হিংসার ছবি সামনে আসত। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের আলোচনায় কেশপুর। বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ উঠল শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আহত অবস্থায় আটজন বিজেপি কর্মীকে নিয়ে আসা হয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।
জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে কেশপুর ব্লকের ৭ নম্বর অঞ্চলের রামাকাটা এলাকায় একটি অভ্যন্তরীণ বৈঠকের আয়োজন করে বিজেপি নেতৃত্ব। বৈঠক শেষ হওয়ার পর বিজেপি কর্মীরা যখন বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন, ঠিক সেই সময় তাঁদের উপর বাঁশ লাঠি নিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। বেশ কিছু বাইক ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ বিজেপির। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চোট পান বিজেপি কর্মীরা। তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার প্রতিবাদে রাতেই জেলা পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি।
ঘটনার খবর পেয়েই ভিডিয়ো কল করে পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তন্ময় দাসকে ভিডিয়ো কল করেন তিনি। জেলা সভাপতির কাছে ঘটনার সম্পূর্ণ বিবরণ শোনেন। ভিডিয়ো কলে আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন তিনি। আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দেন। দিন কয়েকের মধ্যেই আনন্দপুরের রামাকাটায় কর্মসূচি নেওয়ার কথাও জানান শুভেন্দু অধিকারী।
অন্যদিকে, বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল। কেশপুরের তৃণমূল নেতা মহম্মদ রফিক বলেন, “আমি যতদূর খবর পেয়েছি, ওরা জঙ্গলে পিকনিক করছিল। মদ খেয়ে নিজেদের মধ্যে মারপিট করে। পথে মহিলাদের টোন কাটছিল। তৃণমূলের কেউ এই ঘটনায় যুক্ত নয়। এটা বিজেপির অন্তর্কলহ।”
