Daspur: পাড়ার বৌদি, কাকিমা থেকে বাচ্চা মেয়ে বাদ যেতে না কেউই, ১৭ বছরের ছেলেটার ‘পেটে পেটে’ কি না এত!

Crime News: গত ১৭জুন সোমবার গ্রামবাসীরা ওই কিশোরের বন্ধু মারফত জানতে পারে ওই দিন স্কুলের মহিলাদের বাথরুমে স্পাই ক্যামেরা লাগিয়েছে সে। আরও জানা যায়, গ্রামের একাধিক মহিলার স্নান করার নগ্ন ভিডিয়ো রেকর্ড করে সেগুলি বিভিন্ন সোশ্যাল সাইডে ভাইরাল করছে।

Daspur: পাড়ার বৌদি, কাকিমা থেকে বাচ্চা মেয়ে বাদ যেতে না কেউই, ১৭ বছরের ছেলেটার  পেটে পেটে কি না এত!
দাসপুরে উত্তেজনাImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jun 19, 2024 | 11:35 AM

দাসপুর: ছেলেটা পড়ে ক্লাস একাদশ শ্রেণিতে। কিন্তু তার মাথাতেই কি না এমন বুদ্ধি। যা দেখে কার্যত হতবাক গ্রামের বাসিন্দারা। অভিযোগ, ওই কিশোর কখনও গৃহস্থের বাড়ির বাথরুমে, কখনও আবার স্কুলের বাথরুমে গোপন ক্যামেরা লাগিয়ে রাখত। আর সেই ক্যামেরায় মহিলাদের নগ্ন ভিডিয়ো তুলতে সে। এরপর বিষয়টি জানাজানি হতেই তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেন গ্রামবাসী। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওই ঘটনার কথা স্বীকারও করে নিয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানা এলাকার। গ্রামবাসীদের দাবি, ওই গ্রামে বছর সতেরোর এক নাবালক একাধিক গৃহবধূ ও স্কুল ছাত্রীদের বিভিন্ন গোপন ভিডিয়ো বানাত। সেগুলি বন্ধু বান্ধব সহ বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আপলোড করত বলে অভিযোগ।

গত ১৭জুন সোমবার গ্রামবাসীরা ওই কিশোরের বন্ধু মারফত জানতে পারে ওই দিন স্কুলের মহিলাদের বাথরুমে স্পাই ক্যামেরা লাগিয়েছে সে। আরও জানা যায়, গ্রামের একাধিক মহিলার স্নান করার নগ্ন ভিডিয়ো রেকর্ড করে সেগুলি বিভিন্ন সোশ্যাল সাইটে ভাইরাল করছে। ঘটনা জানাজানি হতেই মঙ্গলবার ওই নাবলককে বাড়ি থেকে সোজা তুলে এনে গ্রামের মানুষ জিজ্ঞাসাবাদ করে। তার কাছ থেকে দু’টি ফোন, মেমরি কার্ড উদ্ধার হয়। তার মধ্যে ২৫০ টির বেশি অশ্লীল ভিডিও রয়েছে বলে গ্রামবাসীদের অভিযোগ।

ওই গ্রামের এক গৃহবধূ অভিযোগ করে জানান তারও ভিডিও রয়েছে ওই কিশোরের কাছে। এরপরেই ক্ষিপ্ত জনতা গণধোলাই দিয়ে ওই কিশোরকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এমন একটি ঘটনায় এলাকায় রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। অভিযুক্ত নাবালক বলে, “আমি একটা ভিডিয়োই করেছি। আর কোনও দিন কিছু করিনি। আমি একা করিনি। আরও বন্ধুরাও রয়েছে।”এক গ্রামবাসী বলেন, “স্কুল থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গা থেকে এই ছেলেটা মহিলাদের গোপন অঙ্গের ভিডিয়ো তুলত। তারপর নেটে দিয়ে দিত। বন্ধু বান্ধবের মধ্যে শেয়ার করত। ওর বাবা-মাকেও বলেছে।”