Dilip Ghosh on CPIM: হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ হওয়ার পর দিলীপ বললেন, ‘স্টল করুন, বিক্রি তো হয় না’
CPIM Book Stall: সিপিএমের বুক স্টল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেছিলেন, বুক স্টলে শারদোৎসব না লিখে দুর্গা পুজো লিখলে, তবেই মিলবে অনুমতি। পরে সেই স্টল নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। বুক স্টল ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে জায়গায় জায়গায়। স্টল করতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় সিপিএম।

মেদিনীপুর: দুর্গাপুজোর আগে সিপিএমের বুক স্টল নিয়ে বিতর্ক চরমে পৌঁছেছে। আইনি লড়াই জারি রয়েছে এখনও। কলকাতা হাইকোর্টের একক বেঞ্চ বুক স্টল করার অনুমতি দিলেও আবারও ডিভিশন বেঞ্চে চ্যালেঞ্জ করেছে রাজ্য। এই আইনি সংঘাতের মধ্যেই সিপিএমের (CPIM) বইয়ের স্টল নিয়ে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।
শুক্রবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “সবাই স্টল করতে পারে। এতদিন করেছেন, করুন। বিক্রি তো হয় না। ২৫ বছর সেই একই বই রাখা। যেগুলো প্রদর্শনী হয়। এটাকে স্টল না বলে প্রদর্শনী বলুন। কিন্তু তারপরও কিছু ড্রামা করে খবরে আসার চেষ্টা করা হয়।”
সিপিএমের বুক স্টল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেছিলেন, বুক স্টলে শারদোৎসব না লিখে দুর্গা পুজো লিখলে, তবেই মিলবে অনুমতি। পরে সেই স্টল নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। বুক স্টল ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে জায়গায় জায়গায়। স্টল করতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় সিপিএম।
বৃহস্পতিবার বনগাঁয় সিপিএমের বুকস্টল বসানোর অনুমতি দেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। পুজোমণ্ডপের ১০০ মিটারের মধ্যে বুকস্টল বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি, বুকস্টল তৈরি কিংবা চালানোর সময় যাতে কোনও আইনশৃঙ্খলাজনিত সমস্যা না হয়, তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন বিচারপতি। আদালতের নির্দেশ মেনে বুকস্টল তৈরি হয়েছে কি না, সেই সংক্রান্ত রিপোর্টও পুলিশ সুপারকে জমা দিতে বলা হয়। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানানো হয়েছে। জরুরি শুনানির অনুমতি মিলেছে।
