Sujay Hazra Job Scam Case: চাকরির নামে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা, চাপ বাড়ল তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতির
Recruitment fraud case: চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণার তদন্তে জেলে গিয়ে অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে বলে পুলিশকে অনুমতি দিয়েছেন বিচারক। ডেবরার ত্রিলোচনপুরের বাসিন্দা প্রসেনজিৎ রায় গত ১০ জুন ডেবরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। ১২ জনকে স্থায়ী চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রথম ধাপে ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন সুজয় ও আশিক।

মেদিনীপুর: আরও চাপ বাড়ল তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি সুজয় হাজরার। চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার আরও এক । চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণায় অভিযুক্ত আশিক কাজী ইমামকে হাওড়া থেকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এই ঘটনায় আর এক অভিযুক্ত মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি সুজয় হাজরা ইতিমধ্যেই জমি দুর্নীতি ও বেসরকারি হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় জেল হেফাজতে রয়েছেন।
পাশাপাশি চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণার তদন্তে জেলে গিয়ে অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে বলে পুলিশকে অনুমতি দিয়েছেন বিচারক। ডেবরার ত্রিলোচনপুরের বাসিন্দা প্রসেনজিৎ রায় গত ১০ জুন ডেবরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। ১২ জনকে স্থায়ী চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রথম ধাপে ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন সুজয় ও আশিক। প্রত্যেকের কাছে চাকরির জন্য সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা করে দাবি করা হয়।
প্রথম ধাপে ১২ লক্ষ টাকা নেওয়ার পরে আশিক চাকরিপ্রার্থীদের কলকাতায় নিয়ে গিয়ে খাদ্যভবন ও বিকাশ ভবনে ঘুরিয়ে মেডিক্যাল পরীক্ষাও করান। তার পরে হাতে রঙিন ফটোকপি করা নিয়োগপত্র দেন। পরে ডাকযোগে আসল নিয়োগপত্র পৌঁছে যাবে বলে জানান। প্রসেনজিতের অভিযোগ, সুজয় জানিয়েছিলেন যে আশিক নবান্নে উচ্চ পদে কাজ করেন। জেরক্স নিয়োগপত্র দেওয়ার পরে ফের ১২ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। তার পরেও চাকরি মেলেনি। টাকা ফেরত চাইলে তাঁদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে জেলে ঢোকানোর হুমকি দেওয়া হয়। উল্লেখ্য আশিক কাজিকে আদালতে তোলা হলে বিচারক সাতদিন পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন ।
