Wedding: জেঠিমার দেহ ফ্রিজে রেখে বিয়ে করলতে চলল বর, খবর গেল পুলিশে
Paschim Medinipur: এদিকে সৌরিন যে এই কাণ্ড করছেন তা প্রথমে এলাকার লোকজনের জানা ছিল না। জানাজানি হতেই শুরু হয়ে যায় জোর শোরগোল। যদিও সৌরিনের পরিবারের সদস্যদের একটাই কথা, একরাশ কষ্ট বুকের মধ্যে আটকে রেখে বিয়েবাড়ির আয়োজন করতে হয়েছে। তবে তাতে কমছে না চাপানউতোর।

দাসপুর: বিয়ের ডেট আগেই পাকা হয়ে গিয়েছিল, তোড়জোড়ও শেষ। আর ঠিক তার মাথায় সোমবার দুপুর নাগাদ শারীরিক অসুস্থতার কারণে মৃত্যু হয় জেঠিমার। কিন্তু বাতিল হয়নি বিয়ে। উল্টে বর যা করল তা দেখে হতবাক এলাকার লোকজন। ফ্রিজে জেঠিমার দেহ রেখে বিয়ে করতে গেল পাত্র। ফিরল নতুন বউ নিয়ে। বাড়ি থেকে দূরে এলাকারই একটি ক্লাব ঘরে ফ্রিজের মধ্যে রইল দাসপুরের চাঁইপাট বেলডাঙা গ্রামের বাসিন্দা রিতা আলুর মৃতদেহ। স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার দুপুরে মৃত্যু হয় তাঁর। অন্যদিকে মঙ্গলবার ছিল পরিবারেরই এক সন্তান সরোজ আলুর ছেলে সৌরেনের বিয়ে। সম্পর্কে সৌরিনের জেঠিমা হন রিতা।
এদিকে সৌরিন যে এই কাণ্ড করছেন তা প্রথমে এলাকার লোকজনের জানা ছিল না। জানাজানি হতেই শুরু হয়ে যায় জোর শোরগোল। যদিও সৌরিনের পরিবারের সদস্যদের একটাই কথা, একরাশ কষ্ট বুকের মধ্যে আটকে রেখে বিয়েবাড়ির আয়োজন করতে হয়েছে। কারণ মৃতের ৬ মেয়ে বাইরে থাকে। সেই কারণেই ফ্রিজের মধ্যে মৃতদেহ রাখতে হয়েছে। ওরা এলেই সৎকারের ব্যবস্থা করা হবে। তাঁদের স্পষ্ট কথা, আনন্দের সঙ্গে নয়, দুঃখের সঙ্গেই হচ্ছে বিয়ে বাড়ি।
এদিকে আবার বাড়ির বদলে ক্লাবে মৃতদেহ রাখা নিয়েও শুরু হয়েছে বিবাদ। ক্লাবের এক সদস্যের দাবি অবিলম্বে মৃতদেহ এখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হোক। এইভাবে কখনওই একটা অনুষ্ঠান বাড়ি করা যায় না। ইতিমধ্যে ক্লাবের তরফ থেকে থানায় গোটা বিষয়টি জানানো হয়েছে বলেও জানাচ্ছেন তাঁরা। তবে সৌরনের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের দাবি, রিতার মেয়েরা আসলেই হবে মৃতদেহ দাহ করা হবে। প্রতিবেশীদের মধ্যে এ নিয়ে চাপানউতোর চললেও প্রতিবেশীরা ক্যামেরার সামনে বিশেষ কিছু বলতে চাননি।
