Laxmir Bhandar Controversy: পুরুষের অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা! চন্দ্রকোনায় তৃণমূল নেতাকে ঘিরে বিতর্ক
Lakshmir Bhandar Scam Allegation in Chandrakona: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা এক নম্বর ব্লকের মনোহরপুর এলাকার ঘটনা। সেখানে তৃণমূল নেতা পেশায় একজন ঠিকা কর্মী। নাম উত্তম কুমার সাউ। তাঁর নামেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢোকার অভিযোগ উঠেছে। এলাকার বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, তৃণমূল নেতা উত্তম কুমার সাউের নাম লক্ষীর ভাণ্ডারের তালিকায় রয়েছে।

চন্দ্রকোণা: মহিলাদের জন্য প্রকল্প। শুধু নামটা আলাদা। তৃণমূল সরকারের আমলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার(Lakshmir Bhandar), বিজেপি সরকারের আমলে এখন তা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Bhandar)। আগে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকত ১৫০০ টাকা বা ১৭০০ টাকা। আর এখন তিন হাজার টাকা। কিন্তু, জানেন কি মহিলাদের জন্য এই টাকা ঢুকেছে পুরুষদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও? । সম্প্রতি, এমনই অভিযোগ উঠল পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণায় (Chandrakona News)। সেখানে তৃণমূল নেতার নামে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ঢোকার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, উপভোক্তার জায়গাতেও নাম রয়েছে তাঁরই। সবটাই হয়েছে তৃণমূল সরকারের আমলে। কীভাবে ওই তৃণমূল নেতার নামে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmir Bhandar) ঢুকল, সেই প্রশ্ন যেমন উঠছে, তেমনই তৃণমূল সরকারের আমলে আরও একটা দুর্নীতিরও অভিযোগ সামনে এল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
ঠিক কী ঘটেছে?
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা এক নম্বর ব্লকের মনোহরপুর এলাকার ঘটনা। সেখানে তৃণমূল নেতা পেশায় একজন ঠিকা কর্মী। নাম উত্তম কুমার সাউ। তাঁর নামেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢোকার অভিযোগ উঠেছে। এলাকার বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, তৃণমূল নেতা উত্তম কুমার সাউের নাম লক্ষীর ভাণ্ডারের তালিকায় রয়েছে। কিন্তু এটা কী করে সম্ভব? বিজেপি কর্মীরা প্রশ্ন তুলেছেন, একজন পুরুষ হয়ে উত্তম কীভাবে লক্ষ্মীর ভান্ডার পাচ্ছেন? দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। ঘটনা সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিজেপির দাবি, অবিলম্বে টাকা ফেরত দিতে হবে ওই তৃণমূল নেতাকে। এই বিষয়ে তাঁরা আইনের দ্বারস্থও হবেন বলে জানিয়েছেন।
তৃণমূল নেতা কী বলছেন?
তৃণমূল নেতা উত্তম সাউয়ের দাবি, তিনি স্ত্রীর জন্য লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আবেদন করেছিলেন। কিন্তু, স্ত্রীয়ের বদলে তাঁর নাম কীভাবে তালিকায় এল, তা তাঁর জানা নেই। উত্তম সাউয়ের আরও দাবি, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের কোনও টাকা তাঁর স্ত্রী পাননি। তৃণমূল নেতা বলেন,”কখনও আমি তালিকা খতিয়ে দেখিনি। কীভাবে আমার নামটা এসেছে, তাও জানা নেই। আমার কেবল নামটা আছে। ফোন নম্বর ও ব্যাঙ্ক অ্যাকউন্ট আমার স্ত্রীর। ওই বিষয়টাকে নিয়ে ওরা মাতামাতি করছে। আর যদি আমার কোনও ভুল থেকে থাকে, তাহলে সেটা আইনি মারফত দেখা হোক।” তবে তিনি এই সমস্যার সমাধানের জন্য গ্রাম পঞ্চায়েতে লিখিত আবেদন জানাবেন।
এই বিষয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মাধুরী সিংহ দোলই জানিয়েছেন, বিষয়টি তাঁদের জানা ছিল না, বিজেপির কাছে অভিযোগ পেয়েই তাঁরা বিষয়টি খতিয়ে দেখেছেন। এখানে কোনও টেকনিক্যালি সমস্যা থাকতে পারে বলেও মনে করছেন তিনি। তবে, গোটা বিষয়টায় দুর্নীতিই দেখছে বিজেপি। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূল আমলে প্রভাব খাটিয়ে এই সুবিধা নিয়েছেন তৃণমূল নেতা।
