Kharagpur station: হাতে কালো ব্যাগ, স্টেশনে ঘোরাফেরা করছিলেন ব্যক্তি, GRP ধরতেই ফাঁস হল সব
Man arrested from Kharagpur station: সাংবাদিক বৈঠক করে জিআরপি-র এসপি মিতুন দে বলেন, "জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত ব্যক্তি দাবি করেন, ওড়িশার গঞ্জাম জেলায় সোনার দোকানে কাজ করতেন। কিন্তু, টাকার উৎস নিয়ে অসংলগ্ন কথা বলছেন। তিনি কোথা থেকে খড়্গপুর রেলস্টেশনে এসেছেন, সেসব জানার চেষ্টা চলছে। এত টাকা কোথা থেকে পেলেন, তা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।"

খড়্গপুর: রেলস্টেশনে ইতস্ততভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন। হাতে একটা বড় কালো ব্যাগ। চোখেমুখে যেন টেনশনের ঝাপ। দেখেই কিছুটা সন্দেহ হয় জিআরপি-র। এগিয়ে গিয়ে জিআরপি কর্মীরা ব্যক্তিকে দাঁড় করান। কয়েকটা প্রশ্ন করেই জিআরপি কর্মীরা বুঝে যান, কিছু একটা লুকানোর চেষ্টা করছেন ওই ব্যক্তি। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর ব্যাগ পরীক্ষা করেন। আর ব্যাগ খুলতেই দেখা যায়, বান্ডিল বান্ডিল টাকা। ঘটনাটি পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর রেলস্টেশনের। ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে জিআরপি। কোথা থেকে তিনি এত টাকা পেলেন, তা জানার চেষ্টা চলছে বলে জানালেন জিআরপি-র এসপি মিতুন দে।
ধৃত ব্যক্তির নাম ইব্রাহিম মোল্লা। বছর বিয়াল্লিশের ইব্রাহিমের বাড়ি হুগলি জেলার চণ্ডীপুর থানার কুমিরতলা এলাকায়। জিআরপি-র এসপি মিতুন দে বলেন, শুক্রবার দুপুরের পর খড়্গপুর স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন ওই ব্যক্তি। সেখানে কর্তব্যরত জিআরপি পুলিশকর্মীদের নজরে পড়ে তাঁর আচরণ। এরপর তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে তাঁর কথাবার্তায় অসংলগ্নতা লক্ষ্য করা যায়।
পুলিশ তাঁর কাছে থাকা একটি কালো রঙের ব্যাগ তল্লাশি করে। সেই ব্যাগ থেকে ৫০০ ও ২০০ টাকার নোট মিলিয়ে মোট ৫০ লক্ষ ৭৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। শনিবার ধৃতকে আদালতে তোলা হলে বিচারক সাতদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে জিআরপি-র এসপি মিতুন দে বলেন, “জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত ব্যক্তি দাবি করেন, ওড়িশার গঞ্জাম জেলায় সোনার দোকানে কাজ করতেন। কিন্তু, টাকার উৎস নিয়ে অসংলগ্ন কথা বলছেন। তিনি কোথা থেকে খড়্গপুর রেলস্টেশনে এসেছেন, সেসব জানার চেষ্টা চলছে। এত টাকা কোথা থেকে পেলেন, তা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।” ধৃত ব্যক্তির নামে আগে কোনও অপরাধের অভিযোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে মিতুন দে জানান।
