Medinipur: চিবুকে ঠেঁকে থুতনি! নিজের কাকার সঙ্গে মাকে চরমতম অবস্থায় দেখল, চার বছরের ছেলে বলল পাই টু পাই
Medinipur: এই যুগল গ্রামেরই বাসিন্দা। তবে সম্পর্কে বৌদি-দেওর। কিন্তু এভাবে একসঙ্গে ঝুললেন কেন? গ্রাম জুড়ে চলতে থাকে কানাঘুষো। মেদিনীপুর শহর সংলগ্ন খাস জঙ্গল এলাকায় এক যুগলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই যুগলের নাম নিয়তি মাণ্ডী ও পুরুষের নাম সমর মাণ্ডী।

পশ্চিম মেদিনীপুর: জঙ্গলের সীমানা লাগোয়া বাড়ি। বাড়ির পাশ দিয়ে জঙ্গলের দিকে কাঠ কুড়োতে যাচ্ছিলেন কয়েকজন। তাঁরাই প্রথম বিষয়টা দেখেন। ঘরের মধ্যে দড়ির এক প্রান্তে ঝুলছেন মাঝবয়সী এক মহিলা, অপর প্রান্তে আরেক যুবক। শিউরে ওঠেন তাঁরা। মুহূর্তে খবর চাউর হয় গ্রামে। জনে জনে লোক দেখতে আসে। জানা যায়, এই যুগল গ্রামেরই বাসিন্দা। তবে সম্পর্কে বৌদি-দেওর। কিন্তু এভাবে একসঙ্গে ঝুললেন কেন? গ্রাম জুড়ে চলতে থাকে কানাঘুষো। মেদিনীপুর শহর সংলগ্ন খাস জঙ্গল এলাকায় এক যুগলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই যুগলের নাম নিয়তি মাণ্ডী ও পুরুষের নাম সমর মাণ্ডী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিয়তির স্বামী ঝন্টু অসমে কর্মরত। মহিলার চার বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। এদিন সকালে ওই মহিলার ঘরের দরজা বন্ধ দেখে সন্দেহ হয় পড়শিদের। এরপরই খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। মেদিনীপুর কোতোয়াল থানার পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দু’জনকে।
ইতিমধ্যেই দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। দেওর বৌদির মধ্যে কোনও বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে পুলিশের তরফে। তবে পড়শিরা জানাচ্ছেন, দু’জনের সম্পর্ক খুবই ভাল ছিল। তবে আলাদা করে কোনওদিনই কিছু মনে হয়নি। ঘটনার পর থেকে থমথমে গোটা এলাকা। বাচ্চাটিকে পড়শিরা রেখে দিয়েছেন। মিনতির ছেলে গোটা ঘটনার বর্ণনা দেয় পুলিশের কাছে। সে জানিয়েছে কীভাবে তার মাকে আর কাকাকে দেখেছে।

