Sudip Bandyopadhyay: এবার কী করবেন নয়না? সবটা বলে দিলেন সুদীপ
Sudip Bandyopadhyay on Nayana Bandyopadhyay: নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় চৌরঙ্গীর তৃণমূল বিধায়ক। ছাব্বিশের ভোটের পর তাঁকে বিধানসভায় তৃণমূলের ডেপুটি লিডার হিসেবে ঘোষণা করেছিল ঘাসফুল শিবির। গতকাল সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষুব্ধ সাংসদদের দলে নাম লেখাতেই নয়নার অবস্থান নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এমনকি, বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেছিলেন, "সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় যাওয়া মানে বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি।"

নয়াদিল্লি ও কলকাতা: স্বামী-স্ত্রীর রাজনৈতিক পথ কি এবার আলাদা হতে চলেছে? নাকি স্বামীর মতো স্ত্রীও নতুন দলে নাম লেখাবেন? গত ৪৮ ঘণ্টা ধরে এই নিয়ে নানা জল্পনা চলছে। রবিবার নয়াদিল্লিতে নতুন দলের সঙ্গে মিশে যাওয়ার কথা ঘোষণার পর স্ত্রী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে মুখ খুললেন কলকাতা উত্তরের সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। টিভি৯ বাংলায় এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে জানালেন তাঁর স্ত্রীর সিদ্ধান্তের কথা। কী বললেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়?
স্ত্রী নয়নাকে নিয়ে কী বললেন সুদীপ?
নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় চৌরঙ্গীর তৃণমূল বিধায়ক। ছাব্বিশের ভোটের পর তাঁকে বিধানসভায় তৃণমূলের ডেপুটি লিডার হিসেবে ঘোষণা করেছিল ঘাসফুল শিবির। গতকাল সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষুব্ধ সাংসদদের দলে নাম লেখাতেই নয়নার অবস্থান নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এমনকি, বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেছিলেন, “সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় যাওয়া মানে বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি। শুধু ওমন একজন পরচুলওয়ালা লোক নয়, তার সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ বিউটি পার্লার পাওয়া যাবে। ফলে বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি।” এদিন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া নামে একটি দলের সঙ্গে মিশে যাওয়ার পর প্রশ্ন উঠে, এবার কি নয়নাও স্বামীর পথে ওই দলে যোগ দেবেন?
স্ত্রীর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে এদিন টিভি৯ বাংলায় এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে সুদীপ বললেন, “আমি আমার নিজের স্ত্রীকে এখনও বোঝাতে পারিনি। সে এখনও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় যেখানে বিধানসভায় তৃণমূলের লিডার হয়ে রয়েছে, সেখানে সে ডেপুটি লিডার হয়ে রয়েছে। আমি তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। সে তখন আমাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছে। পরবর্তীকালে একটা সহমত তৈরি হয়েছে, যে যার মতো চলো। আমি তো চোখের সামনে দুই ভাই তৃণমূলের সৌগত রায় আর বিজেপির তথাগত রায়ের বিরোধ দেখছি। কেরালাতে স্বামী ও স্ত্রী আলাদা দল করে, এরকম অনেক রয়েছে। এখানে দু’জনের পিছনে অন্তত তৃণমূল রয়েছে।”
তাঁকে ও তাঁর স্ত্রীকে আক্রমণ নিয়ে সুদীপ বলেন, “নয়নার সুবিধা হল, কোনওকালে কংগ্রেস থেকে জেতেনি। পাঁচবার জিতেছে, প্রত্যেকবার তৃণমূল থেকে জিতেছে। আর আমি কংগ্রেস থেকে শুরু করে তৃণমূলে ঢুকেছি। তাতে ১০ বার জনপ্রতিনিধি হয়েছি। আর ও তৃণমূলেই পাঁচ হয়েছে। দু’জনে মিলে ১৫। এই ১৫ বার একটা পরিবার থেকে জিততে গেলে মানুষের অনেক কাছে থাকতে হয়। তারপরও যখন শুনি কেউ কেউ গালিগালাজ করছে, বোঝা ভাবছে, উত্তর কলকাতা থেকে কেন সরিয়ে দিল প্রশ্ন করছে, তখন আমার করুণা হয়। একথাগুলো বলবার আগে এগুলো দেখা উচিত।”
