Madan Mitra got ED Notice: আর বৌ-ছেলে নয়, ২১ জুলাই থেকে ফিরে আসার পর ED-র তলব পেলেন মদন নিজে
ED notice: অভিষেকের হাত ছেড়ে এই ছেলেদের হাত ধরুন। আপনার পার্টি এটা, অভিষেকের পার্টি নয়।" শুধু তাই নয়, ১৯ জুলাইয়ের লাইভেও অভিষেককে ক্রিমিনাল খুনি বলে বলে আক্রমণ করেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক। পাল্টা আবার মদনকে ১০ কোটির নোটিসও ধরান অভিষেক। এরই মধ্যে দেখা গেল একুশে জুলাইয়ের সভা থেকে ফিরতেই মদনের কাছে এল ইডির নোটিস।

কলকাতা: কয়েকদিন আগে স্ত্রী ও দুই ছেলেকে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তলব করেছিল ইডি। আর এবার কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রকে তলব করল কেন্দ্রীয় এজেন্সির। পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেই ইডির সমন পেয়েছেন তিনি। আগামী ২৩ জুলাই মদনের স্ত্রীকে তলব করে ইডি। আর ২৯ জুলাই তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে সমন পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। মদন তদন্তে সহযোগিতা করবেন বলে জানা গিয়েছে।
এর আগে কামারহাটি পৌরসভায় অবৈধ নিয়োগ মামলায় নাম জড়ায় মদনের। জুন মাসেই তাঁর একাধিক বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। ভবানীপুরের বাড়ি ছাড়াও দক্ষিণেশ্বর-সহ একাধিক বাড়িতে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। উদ্ধার হয় বেশ কিছু নথিপত্রও।
গত ১৪ জুলাই ইডি নোটিস পাঠায় মদনের পরিবারকে। তারপর ওই দিন সন্ধ্যায় মদন হাজির এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক তথা ঋতব্রত শিবিরের অপর সদস্য সন্দীপন সাহার বাবা তথা এন্টালির প্রাক্তন বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার বাড়িতে। দীর্ঘক্ষণ সেখানে বৈঠক করেন তিনি। তারপরের দিন সকালে বিধানসভায় ঋত শিবিরে যোগ দেন তিনি। সঙ্গ ছাড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আর শিবির বদল করেই তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নেন তিনি। লাগাতার আক্রমণ শানাতে শুরু করেন। তবে, তাঁর অবস্থান নিয়ে খানিক প্রশ্ন ওঠে যখন মদনের পাশে দাঁড়িয়ে বিধায়ক কুণাল ঘোষ ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করে বলেন, ““আমরা এটুকু জেনে রাখছি, আমাদের ভেতরের একটা লোক ওদের মধ্যে রইল।” মুহূর্তের মধ্যে অবশ্য জবাব দিলেন মদনও। তিনি বলেন, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে দশ বছর বিরোধী আসনে দেখতে চান তিনি।
তবে আজ একুশে জুলাইয়ে ঋত শিবির থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেনজির আক্রমণ করতে দেখা যায় মদন মিত্রকে। তিনি বলেন, “খোলাখুলি শুনুন। আমি অন্য কাউকে নয়। মমতাকে বলছি, অভিষেক এক ঘণ্টা টাইম দিয়েছে। আপনাকে এক মাস সময় দিচ্ছি। অভিষেকের হাত ছেড়ে এই ছেলেদের হাত ধরুন। আপনার পার্টি এটা, অভিষেকের পার্টি নয়।” শুধু তাই নয়, ১৯ জুলাইয়ের লাইভেও অভিষেককে ক্রিমিনাল খুনি বলে বলে আক্রমণ করেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক। পাল্টা আবার মদনকে ১০ কোটির নোটিসও ধরান অভিষেক। এরই মধ্যে দেখা গেল একুশে জুলাইয়ের সভা থেকে ফিরতেই মদনের কাছে এল ইডির নোটিস।
