Kamarhati Municipality: বরদাস্ত করবেন না বলেছিলেন শমীক, ১৮ দিনের মাথায় কামারহাটির চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা লকেটের দাদার
মঙ্গলবার বিকেলে মহকুমা শাসকের কাছে সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় ইস্তফা পত্র জমা দেন। তাঁর সঙ্গে আরও ষোলো জন ইস্তফাপত্র। ফলত, ভেঙে গেল কামারহাটি পুরসভার পুরবোর্ড। এখন পুরসভা কে চালাবেন মহকুমা শাসক ঠিক করবেন। তিনিই আপাতত কাজ ঠিক করবেন ও এই পুরসভা চালাবেন।

কামারহাটি: কামারহাটি পুরসভায় ডামাডোল অব্যাহত। নতুন পুরপ্রধানও পদত্যাগ করেছেন। চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের ভাইয়ের। বস্তুত, দিনকয়েক আগে কামারহাটি পৌরসভার চেয়ারম্যান পদে ইস্তফা দিয়েছেন গোপাল সাহা। পর নির্দল কাউন্সিলর সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সেই নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এসব বরদাস্ত করা হবে না বলেও জানিয়েছিলেন। তারপর দেখা গেল দায়িত্ব নেওয়ার ১৮ দিনের মধ্যেই ইস্তফা দিলেন সুশান্ত।
মঙ্গলবার বিকেলে মহকুমা শাসকের কাছে সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় ইস্তফা পত্র জমা দেন। তাঁর সঙ্গে আরও ষোলো জন ইস্তফাপত্র। ফলত, ভেঙে গেল কামারহাটি পুরসভার পুরবোর্ড। এখন পুরসভা কে চালাবেন মহকুমা শাসক ঠিক করবেন। তিনিই আপাতত কাজ ঠিক করবেন ও এই পুরসভা চালাবেন।
এর আগে শমীক ভট্টাচার্য কী বলেছিলেন?
শমীক বলেন, “আমি শুনলাম কামারহাটি পৌরসভায় নাকি পরিবর্তন হয়েছে। আমার কাছে খবর আসেনি। কেউ না কেউ ওখানে চেয়ারম্যান হয়ে গিয়েছেন। সংযত হয়ে যান। এখনও পর্যন্ত পার্টি কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সংযত হয়ে তাঁর ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন। যদি কেউ ভাবেন, ভারতীয় জনতা পার্টি একটা সেবাশ্রম হয়েছে, একটা হরিনাম সভা, যে কেউ নিজেকে কলকাতা, বিধাননগর, কামারহাটির কাউন্সিলর বানিয়ে ফেলবেন, পার্টি চুপ করে মেনে নেবে, এটা হতে দেওয়া যাবে না। কোনও নেতা, মন্ত্রী, বিধায়ক হোক, এখানে কারও কথা চলবে না। রাতারাতি কেউ যদি মনে করেন, জামাটা বদলে নিজেকে পৌরসভার চেয়ারম্যান হবেন, তাহলে পার্টির লোক যাবে, জেলা সভাপতি যাবে, ওই জায়গাটাকে গঙ্গাজল দিয়ে পরিষ্কার করে আসবে। কাউকে চেয়ারে বসতে দেওয়া হবে না।”
লকেট চট্টোপাধ্যায় সেই সময় জানিয়েছিলেন,”সম্পর্কে দাদা হতেই পারেন। কিন্তু, তিনি একজন নির্দল কাউন্সিলর। তাঁদের ওখানে কী করে বোর্ড হয়েছে, তা তাঁরা জানেন। আমার কিছু বলার নেই। তবে যেমন নিয়ম রয়েছে, তেমন হওয়া উচিত।” অন্যদিকে যাকে নিয়ে এত কথা সেই সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমার ধারণা শমীকবাবুকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে। ভুল বোঝানো হয়েছে। বলা হয়েছে, এটা বিজেপি পরিচালিত বোর্ড। কিন্তু এটা বিজেপি পরিচালিত বোর্ড নয়।”
