Ghatal Masterplan: SIR-র জন্য ‘অথৈ জলে’ ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান! রাজ্যের মন্ত্রীর দাবি ঘিরে বিতর্ক

TMC on Ghatal Masterplan: এবার এই আবহে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের রিভিউ মিটিং সারলেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়া। সেই বৈঠকেই আধিকারিকদের কড়া বার্তা দিলেন তিনি। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ঘাটাল মাস্টারপ্ল্য়ান নিয়ে তৈরি হওয়া দীর্ঘসূত্রিতার নেপথ্যে কার্যত এসআইআরকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন মন্ত্রী।

Ghatal Masterplan: SIR-র জন্য অথৈ জলে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান! রাজ্যের মন্ত্রীর দাবি ঘিরে বিতর্ক
সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়া Image Credit source: নিজস্ব চিত্র

| Edited By: Avra Chattopadhyay

Feb 24, 2026 | 5:51 PM

পশ্চিম মেদিনীপুর: সময় কেটে যায়। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে শুধুই বাড়ে তৎপরতা। যে তৎপরতার বাস্তবায়নের আবার দেখা মেলে না। সবটাই যেন ইন্দ্রজাল। যা ঘিরে রাখে মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে তৈরি হওয়া স্থানীয়দের প্রত্যাশাকে। কিন্তু এই দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ভাবনা বাস্তবের রূপ পাবে কবে? এটাই যেন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। যা ঘিরে ধরেছে ভোটমুখী বাংলাকে।

নির্বাচন আসছে, নতুন করে ভেসে উঠছে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের ‘অপূর্ণ স্বপ্নের’ কথা। কবে হবে প্রকল্পের বাস্তবায়ন? এবার এই আবহে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের রিভিউ মিটিং সারলেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়া। সেই বৈঠকেই আধিকারিকদের কড়া বার্তা দিলেন তিনি। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ঘাটাল মাস্টারপ্ল্য়ান নিয়ে তৈরি হওয়া দীর্ঘসূত্রিতার নেপথ্যে কার্যত এসআইআরকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন মন্ত্রী।

সূত্রের খবর, আধিকারিকদের তিনি বলেন, “মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে কাজের গতি বাড়াতে হবে। এসআইআর-এর জেরে এতদিন কাজের গতি হারিয়েছিল।” কিন্তু ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের কাজের সঙ্গে সেচ দফতর কাজের কী সম্পর্ক? এই নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। যদিও একাংশ বলছে, এসআইআর যেন রাজ্যের শাসকশিবিরের কাছে ছিল ‘অগ্নিপরীক্ষা’, তাই তাতে উত্তীর্ণ হতে গিয়েই সময়ের হিসাব গরমিল হয়ে গিয়েছে।

এদিন সেচমন্ত্রী আরও বলেন, “এই নিয়ে ৩৫ তম বার ঘাটার মাস্টারপ্ল্যানের রিভিউ মিটিংয়ে যোগ দিয়েছি। পরেও আসব। কাজ ঠিক মতো এগিয়ে চলেছে। পাম্প হাউস নিয়ে একটু সমস্যা হয়েছিল, সেটাও মিটে গিয়েছে।” যদিও রাজ্য়ের মন্ত্রীর এই সকল দাবি কার্যত নস্যাৎ করেছেন ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাট। তিনি বলেন, “মাস্টারপ্ল্যানের নাম করে বালি-মাটি বিক্রি চলছে। মাস্টারপ্ল্যান মোট ৭টি ব্লক নিয়ে, এদিকে আমরা দেখছি প্রতিদিন শুধু ঘাটাল এবং দাসপুর থেকেই বালি-মাটি তোলা হচ্ছে। কারণ এখানেই বেশি বালি-মাটি পাওয়া যায়।”