
ঘাটাল: নার্সিংহোমে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ তুলে উত্তেজনা। ঘটনায় রোগীর পরিজনদের হাতে আক্রান্ত পুলিশ। পরিস্থিতির সামাল দিতে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয়। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুরে গৌরা এলাকায় একটি নার্সিংহোমে তুমুল বিক্ষোভ উত্তেজনা ছড়িয়েছে। রোগীর পরিবারের হাতে আক্রান্ত একাধিক।
জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে নাগাদ দাসপুরের নন্দনপুর এলাকার সাহাপুর গ্রামের এক যুবককে হাতে অস্ত্রোপচারের জন্য ওই নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছিল।
অভিযোগ, যুবককে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই তার হৃদস্পন্দন পাচ্ছিলেন না চিকিৎসকরা। এরপর থেকে পরিবারের কাউকেই রোগীর অবস্থা দেখতে দেওয়া হয়নি। যুবক বর্তমানে কোন অবস্থায় রয়েছে, তা এখনও পর্যন্ত পরিবারের কাছে স্পষ্ট নয়।
পরিবারের এক সদস্যের বক্তব্য, “শুধুমাত্র মেশিনের মাধ্যমে হার্টবিট দেখানো হচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে রোগী আর জীবিত নেই।” আরেক জনের বক্তব্য, “ছেলেটার হাতের হাড় ভেঙে গিয়েছে, সার্জন অপারেশন করছিলেন। অ্যানাস্থেশিয়া করা হয়েছিল। কিন্তু ছেলেটা ঘামতে শুরু করেছিল।” রোগীকে দেখতে না দেওয়ায় মৃত্যুর আশঙ্কা থেকে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন পরিবারের সদস্যরা। নার্সিংহোমের বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি, মারধর। ঘটনাস্থলে দাসপুর থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু বিক্ষোভকারীদের হাতে আক্রান্ত হয় পুলিশ। বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীও আহত হন। নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।