Murder Case: ‘মশারির একটা দড়ি খুলে আমার গলায় পা তুলল, আর দা দিয়ে আমার স্বামীর গলা কেটে দিল’
Kolkata: স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাতে খাওয়া-দাওয়া সেরে স্ত্রীকে নিয়ে নিজের ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তিনি। গভীর রাতে হঠাই প্রতিবেশী অভয় হেমব্রম ধারাল অস্ত্র হাতে তাঁর বাড়িতে ঢুকে পড়ে বলে অভিযোগ। কোনও রকম আত্মরক্ষার সুযোগ না দিয়েই ঘুমন্ত অবস্থায় কার্তিকের উপর এলোপাথাড়ি কোপাতে শুরু করে অভিযুক্ত

পশ্চিম মেদিনীপুর: ঘুমন্ত অবস্থায় রাতের অন্ধকারে ঢুকে ধারাল অস্ত্রের কোপ। মৃতের নাম কার্তিক শাসমল। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরই আতঙ্ক ছড়িয়েছে চারদিকে। পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড় থানার বারিকবাড় গ্রামের বাসিন্দা কার্তিক। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাতে খাওয়া-দাওয়া সেরে স্ত্রীকে নিয়ে নিজের ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তিনি। গভীর রাতে হঠাই প্রতিবেশী অভয় হেমব্রম ধারাল অস্ত্র হাতে তাঁর বাড়িতে ঢুকে পড়ে বলে অভিযোগ। কোনও রকম আত্মরক্ষার সুযোগ না দিয়েই ঘুমন্ত অবস্থায় কার্তিকের উপর এলোপাথাড়ি কোপাতে শুরু করে অভিযুক্ত। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তিনি।
রক্তাক্ত অবস্থায় স্বামীকে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করেন কার্তিকের স্ত্রী। সেই আর্তনাদে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। মুহূর্তের মধ্যেই খবর দেওয়া হয় নারায়ণগড় থানায়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কার্তিকের নিথর দেহ উদ্ধার করে। আজ ময়নাতদন্তের খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত অভয়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতকে আজ খড়গপুর মহকুমা আদালতে তোলা হবে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য অভিযুক্তের স্ত্রীর সঙ্গে কার্তিক শাসমলের দীর্ঘদিনের অবৈধ সম্পর্ক ছিল বলে সন্দেহ করছিল অভয়। সেই ক্ষোভ ও প্রতিশোধের আগুন থেকেই এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড বলে অনুমান তদন্তকারীদের। ওটা ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
মৃতের স্ত্রী বলেন, “মশারির একটা কোন খুলে ফেলে ঘরের ভিতরে ঢুকে গিয়েছে। তারপর আমার গলার উপর পা তুলে দিল। আর দা দিয়ে স্বামীর গলা কেটে দিল।”
