
পশ্চিম মেদিনীপুর: ৮৫ বছরের বৃদ্ধার হিয়ারিং। পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরে ১ নম্বর ব্লকে তাই ঘিরে চরম বিতর্ক। দাসপুর ১ নম্বর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের কার্যালয়ে চলছে এসআইআর-এর শুনানি। অভিযোগ, দাসপুর ১ নম্বর ব্লকের এক ৮৫ বছরের বৃদ্ধা নোটিস পেয়ে অসুস্থ শরীর নিয়েই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হাজির হন।
হিয়ারিং চলাকালীন শুধুমাত্র আধার কার্ড গ্রহণ করা হলেও প্রথমে কোনও রিসিভ কপি না দেওয়াকে কেন্দ্র করে অফিসারের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয় বৃদ্ধার পরিবারের সদস্যদের। দীর্ঘক্ষণ বচসার পর শেষ পর্যন্ত ওই অফিসার ওই বয়স্ক মহিলার হাতে রিসিভ কপি তুলে দেন। তবে এদিন শুনানি ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন দাসপুরের বিধায়ক মমতা ভুঁইঞা।
অভিযোগ উঠেছে, দাসপুর ১ নম্বর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের অফিসে চলা এসআইআর শুনানিতে অনেককেই রিসিভ কপি দেওয়া হচ্ছে না। কখনও রিসিভ কপি দেওয়া হচ্ছে, আবার কখনও দেওয়া হচ্ছে না—এই বৈষম্য নিয়েই হেয়ারিংয়ে উপস্থিত সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও তর্ক-বিতর্ক দেখা যায়। এই বিষয়ে দাসপুরের বিধায়ক মমতা ভুঁইঞা শুনানিতে আসা সকলকে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “প্রত্যেকেই যেন হেয়ারিং শেষ হওয়ার পর অবশ্যই রিসিভ কপি নিয়ে তবেই বাড়ি ফিরবেন।” তিনি আরও বলেন, “কখনও রিসিভ কপি দেওয়া হচ্ছে, আবার কখনও দেওয়া হচ্ছে না। এটা ঠিক নয়, প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই নিয়ম মেনে রিসিভ কপি দেওয়া উচিত।”