AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Humayun Kabir: ‘সম্ভবত আমি ডেবরাতেই লড়ব এবং জিতব’,আত্মবিশ্বাসী হুমায়ুন

Debra: আজ অর্থাৎ রবিবার তিনি প্রথমে বলেন, "আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে, তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে তৃণমূল যোগদান করি। ২০২১ সালে ৩১ জানুয়ারি আমি চাকরি থেকে ইস্তফা দিই। তারপর যোগদান করি। তারপর জিতি। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমায় কোথায় রাখবেন, ডেবরা থেকেই লড়ব নাকি অন্য কোথাও নিয়ে যাবেন সেটা তাঁর সিদ্ধান্ত কারণ তিনিই সব। তিনি যেভাবে বলবেন সেই ভাবে করব।"

Humayun Kabir: 'সম্ভবত আমি ডেবরাতেই লড়ব এবং জিতব',আত্মবিশ্বাসী হুমায়ুন
হুমায়ুন কবীরImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Oct 26, 2025 | 3:59 PM
Share

ডেবরা: গতকাল অর্থাৎ রবিবার থেকে আবারও সুর চড়াতে শুরু করেছেন ভরতপুরের তৃণমূলে বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ক্রমাগত আক্রমণ শানিয়ে চলেছেন তিনি দলের একাংশের বিরুদ্ধে। সব থেকে বেশি আক্রমণ করেছেন জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকারকে। তাঁর দাবি, বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে তিনিই জেলে ঢুকিয়েছেন। তাই এই অপূর্বকে সরাতে যা করার তিনি করবেন। আর এ প্রসঙ্গেই টেনে এনেছেন ডেবরার আর এক তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের প্রসঙ্গ। ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়কের দাবি, দরকারে ডেবরায় বিধয়ককে তিনি কান্দিতে দাঁড় করাবেন। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর সঙ্গেও সমঝোতা করবেন। তিনি  এই আবাহের মধ্যেই এবার মুখ খুললেন পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরার তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। তিনি আজ স্পষ্টত বুঝিয়ে দিলেন দলের সুপ্রিমোই শেষ কথা। তাঁর বাইরে কেউ নয়। বললেন, তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে দাঁড় করাবেন সেখান থেকে তিনি জিতবেন। তবে এও বলেছেন, কান্দি নয়, ডেবরা থেকেই লড়তে চান তিনি।

আজ অর্থাৎ রবিবার তিনি প্রথমে বলেন, “আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে, তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে তৃণমূল যোগদান করি। ২০২১ সালে ৩১ জানুয়ারি আমি চাকরি থেকে ইস্তফা দিই। তারপর যোগদান করি। তারপর জিতি। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমায় কোথায় রাখবেন, ডেবরা থেকেই লড়ব নাকি অন্য কোথাও নিয়ে যাবেন সেটা তাঁর সিদ্ধান্ত কারণ তিনিই সব। তিনি যেভাবে বলবেন সেই ভাবে করব।”

গতকাল ভরতপুরের হুমায়ুন ডেবরার হুমায়ুন প্রসঙ্গে দাবি করেছিলেন যে, অনেক সময় তাঁকে (ডেবরার বিধায়ককে) অপমান সহ্য করতে হয়েছে। ভরতপুরের হুমায়ুন বলেন, “তাঁর সঙ্গেও প্রায়ই কথা হয় আমার। বিধানসভার লবিতে কথা হয়। ওর বাড়িতেও কথা হয়। ফোনেও কথা হয়। তাঁকেও পদে পদে অসম্মান করা হচ্ছে। আমাদের দুই হুমায়ুন কবীরকে যদি দল মনে করে অপ্রাসঙ্গিক করে রাখব তাহলে সেটা করতে পারে। আমিও কী করতে পারি আমি বলেছি।

আজ সাংবাদিকরা সেই বিষটি বললে ডেবরার বিধায়ক বলেন, “যেহেতু আমি মুর্শিদাবাদ জেলায় চাকরি করেছি তাঁর সঙ্গে আমার জানাশোনা আছে। ওঁর সঙ্গে বিধানসভায় দেখা হলে হাই-হ্যালো হয়। ওঁর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ নেই। নির্বাচন নিয়ে কথা হয়নি। উনি যদি অন্য কোথাও আমায় দাঁড় করানোর কথা বলেন সেটা ওঁর ব্যক্তিগত বিষয়। আমার দল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে বলবেন লড়ব।” অর্থাৎ ডেবরার বিধায়ক বুঝিয়েছেন, তিনি অন্য কারও কথা নয়, একমাত্র সুপ্রিমোর কথাই শুনবেন। তবে মুর্শিদাবাদের বিধায়কের বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে নারাজ প্রাক্তন আইপিএস। তিনি স্পষ্টত বলেছেন, “আমি দলের মুখপাত্র নই। ওঁর কমেন্টের উপর বক্তব্য দেওয়া আমার সাজে না। বাকিটা পার্টি দেখবে।”

একই সঙ্গে হুমায়ুন জানিয়েছেন, এই পাঁচ বছরে তিনি কী কী কাজ করেছেন। সেই সব কিছুই তিনি পুস্তিকায় প্রকাশ করবেন। বিধায়ক বলেন, “এখানে এসেছি মানুষের কাজের জন্য়। আমি পাঁচ বছরে কী উন্নয়ন করতে পেরেছি সেটা মানুষ বলবে।”

Follow Us