চ্যালা কাঠ, বাঁশ নিয়ে তাড়া, ছোড়া হল আধলা ইট! মেদিনীপুরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কনভয়ে ‘হামলা’

মেদিনীপুরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভি মুরলীধরনের (V Muraleedharan) গাড়ির ওপর হামলার অভিযোগ। ভোট পরবর্তী হিংসার (West Bengal Post Poll Violence) সাক্ষী থাকল মেদিনীপুর।

চ্যালা কাঠ, বাঁশ নিয়ে তাড়া, ছোড়া হল আধলা ইট! মেদিনীপুরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কনভয়ে 'হামলা'
আক্রান্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কনভয়


মেদিনীপুর: চ্যালা কাঠ, বাঁশ নিয়ে তেড়ে আসছেন উন্মত্ত জনতা! হাতে আধলা ইট! বেপরোয়া ভাঙচুর, ছোড়া হল পাথর। মেদিনীপুরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভি মুরলীধরনের (V Muraleedharan) গাড়ির ওপর হামলার অভিযোগ। ভোট পরবর্তী হিংসার (West Bengal Post Poll Violence) সাক্ষী থাকল মেদিনীপুর।

বাংলার একাধিক প্রান্ত থেকে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠছে। বুধবারই রাজ্যে আসেন বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতা ভি মুরলীধরন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি রওনা দেন মেদিনীপুরের উদ্দেশে। মূলত পিংলা ও সবং এলাকায় আক্রান্তদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে মেদিনীপুরের পাঁচকুড়ি এলাকায় তাঁর কনভয় পৌঁছতেই হামলা শুরু হয়।


অভিযোগ, একদল উন্মত্ত জনতা তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ধেয়ে আসেন। সামনে থেকেই বাঁশ, লাঠি নিয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। ছোড়া হয় আধলা ইটও। দুমদাম পড়তে থাকে ইট। গাড়ি সাইড করিয়েই কোনওরকমে সেখান থেকে বেরিয়ে যায় ভি মুরলীধরনের গাড়ি। একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে দেখা গিয়েছে গোটা হামলার ছবি। ভিডিয়োতে এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘পাইলটকে পিছনে দেবেন না, চলো চলো চলো।’ বোঝা যাচ্ছে, হামলার জেরে কিছুটা হতভম্ব হয়ে যান কনভয়ের চালক। তাঁকেই এক ব্যক্তি কীভাবে এই পরিস্থিতি থেকে বেরনো সম্ভব, তার পরামর্শ দিচ্ছেন। কথা বলার মধ্যেই পড়তে থাকে একের পর এক ইট, পাথর। খবর গিয়ে আক্রান্ত হন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও।

আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রী হয়েই শীতলকুচির তদন্তে কড়া মমতা, সিআইডির নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর অভিযোগ, হামলার পিছনে রয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে কোতোয়ালি থানার আইসি-সহ উচ্চ পদস্থ কর্তারা। এলাকার পরিবেশ উত্তপ্ত রয়েছে। জানা যাচ্ছে, ঘটনার সময়েও এলাকায় কোতোয়ালি থানার গাড়ি ছিল। পুলিশের সামনেই কার্যত হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এলাকায় ঢুকতে না পেরে কার্যত পালিয়ে আসতে হয় বিজেপি নেতৃত্বকে।