AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Nipah Virus: ৪৮ থেকে বেড়ে ৮২ জন! নিপা ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগের কথা শোনালেন মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক

Purba Bardhaman: পূর্ব বর্ধমানের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন মঙ্গলবার পর্যন্ত ৪৮ জনের কন্টাক্ট ট্রেসিং করে লাইন লিস্টটা তৈরি করা হয়েছিল। সেটা বুধবার আরও বেড়েছে। এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে সেটা ৮২ জন। এদের মধ্যে ২ জনের লক্ষ্মণ দেখা দিয়েছিল।

Nipah Virus: ৪৮ থেকে বেড়ে ৮২ জন! নিপা ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগের কথা শোনালেন মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক
নিপা ভাইরাসImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 15, 2026 | 9:37 AM
Share

বর্ধমান: বাংলায় কি চোখ রাঙাচ্ছে নিপা ভাইরাস? ইতিমধ্যেই দুজনের আক্রান্তের খবর এসেছে। দুজন ভর্তিও আছেন হাসপাতালে। তবে এবার উদ্বেগের খবর শোনালেন পূর্ব বর্ধমানের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জয়রাম হেমব্রম। নিপা ভাইরাসে আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা সংখ্যা (বুধবার) ৪৮ থেকে বেড়ে হয়েছে ৮২ জন।

পূর্ব বর্ধমানের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন, মঙ্গলবার পর্যন্ত ৪৮ জনের কন্টাক্ট ট্রেসিং করে লাইন লিস্টটা তৈরি করা হয়েছিল। সেটা বুধবার আরও বেড়েছে। এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে সেটা ৮২ জনে পৌঁছেছে। এদের মধ্যে ২ জনের লক্ষ্মণ দেখা দিয়েছিল। তাঁদের মধ্যে একজন হাউস স্টাফ আছেন। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায়। উনি এখন বেলেঘাটা আইডিতে ভর্তি আছেন। তবে তিনি ভাল আছেন।”

তিনি এ দিন এও বলেন, “যে নার্সিং স্টাফের একটু লক্ষ্মণ দেখা দিয়েছিল তিনিও এখন ভাল আছেন।” স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন, রোগীকে পরিষেবা দেওয়ার সময় এরা আক্রান্ত হয়েছেন। এক প্রকার খুব ক্লোজ কন্টাক্টে ছিলেন বলেই তাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন।

গত সোমবার থেকে নিপা ভাইরাসে আক্রান্তের খবর প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। এখনও পর্যন্ত জানা যাচ্ছে দুজন নিপায় আক্রান্ত। আরও দু’জনকে সন্দেহ করা হচ্ছে। যেদিন প্রথম খবর এসেছিল ওইদিনই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা এই বিষয়ে কথা বলতে ফোন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি জানিয়েছিলেন, পুরো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার জন্য কেন্দ্র থেকে একটি বিশেষজ্ঞ টিম পাঠানো হচ্ছে। এ দিকে, এই নিপা নিয়ে কেন্দ্র-রাজ্যের টানাপোড়েন শুরু হয়ে গিয়েছে। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, রাজ্যের উচিত কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতা চাওয়া। আর তা শুনেই কটাক্ষ করেছেন কুণাল। বলেছেন, “সুকান্তবাবুকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে শেখাতে হবে না। করোনা যখন হয়েছিল তখন মোদী সরকারের অপদার্থতার জন্য সারা ভারতে করোনা ছড়িয়েছিল।”