Madhyamik 2026: বাবার মৃত্যুর শোক কাটিয়েও পরীক্ষা দিতে এসেছিল, এসে জানতে পারল ভুল করে ফেলেছে একটাই! মাধ্যমিক দেওয়া হল না নিশার

Madhyamik 2026: খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। গ্রামবাসী শেখ বাবলু, ভাতার গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অমিত কুমার হুই, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি শুভ্রাংশু বুট সহ আরও অনেকে ভাতার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে বিদ্যালয়ে গিয়ে জানা যায়, ওই ছাত্রী আদৌ মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশনই করেনি।

Madhyamik 2026: বাবার মৃত্যুর শোক কাটিয়েও পরীক্ষা দিতে এসেছিল, এসে জানতে পারল ভুল করে ফেলেছে একটাই! মাধ্যমিক দেওয়া হল না নিশার
মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী নিশাImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Feb 02, 2026 | 3:29 PM

বর্ধমান: রেজিস্ট্রেশন না থাকায় মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসা হল না ছাত্রী নিশা খাতুনের।পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের মাধব পাবলিক হাইস্কুলে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে এসে চরম হতাশায় ফিরতে হল এক ছাত্রীকে। ঘটনাটি ঘটেছে ভাতারের বেলেণ্ডা গ্রামে। ওই ছাত্রীর নাম নিশা খাতুন। সে ভাতার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী।

জানা গিয়েছে, দিন চারেক আগেই নিশা খাতুনের বাবা মারা যান। পারিবারিক শোক কাটিয়ে সোমবার সকালে নির্ধারিত সময়ে সে ভাতার মাধব পাবলিক হাইস্কুলের পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছয় মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসার জন্য। কিন্তু অ্যাডমিট কার্ড না থাকায় পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি তাকে। ফলে নিরাশ হয়ে বাড়ি ফিরতে হয় ওই ছাত্রীকে।

খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। গ্রামবাসী শেখ বাবলু, ভাতার গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অমিত কুমার হুই, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি শুভ্রাংশু বুট সহ আরও অনেকে ভাতার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে বিদ্যালয়ে গিয়ে জানা যায়, ওই ছাত্রী আদৌ মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশনই করেনি। যার ফলেই এবছর তার অ্যাডমিট কার্ড আসেনি এবং পরীক্ষায় বসার সুযোগও হারাতে হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে ভাতার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা অর্চি মজুমদার জানান, নিশা খাতুন নিয়মিত স্কুলে উপস্থিত থাকত না। বিদ্যালয়ের তরফ থেকে বারবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এবং ছাত্রছাত্রীদের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশনের বিষয়টি জানানো হলেও সে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করেনি। সেই কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

তবে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আগামী দিনে ওই ছাত্রীর পড়াশোনার যাবতীয় দেখভালের দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা।