
জামালপুর: স্কুলে মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন ধুন্ধুমার-কাণ্ড। শিক্ষকে বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুললেন খোদ এসআই তথা স্কুল পরিদর্শক। আপাতত আহত অবস্থায় বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই এসআই। অভিযোগ, পর্ষদের নিয়মকে তোয়াক্কা না করে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা ব্যবহার করছিলেন মোবাইল ফোন। তার প্রতিবাদ করায় শিক্ষকদের হাতে বেদম মার খান ওই স্কুল পরিদর্শক। এক শিক্ষকও আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে জানা গিয়েছে।
পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর পূর্ব চক্রের এসআই প্রশান্ত কবিরাজ ভর্তি বেসরকারি নার্সিংহোমে। মঙ্গলবার মাধ্যমিক পরীক্ষার দ্বিতীয় দিন, ইংরেজি পরীক্ষা চলাকালীন জামালপুরের আঝাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, শান্তিপূর্ণভাবেই পরীক্ষা চলছিল। জেলার মাধ্যমিক পরীক্ষার কনভেনার জানিয়েছেন, তিনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেই বিষয়টা জানিয়েছেন।
এদিন সকাল ১১টার কিছুক্ষণ পর পরীক্ষা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন এসআই। তাঁর উপস্থিতিতেই স্কুলের স্ট্রং রুমে বেজে ওঠে এক গ্রুপ সি কর্মীর মোবাইল ফোন। অভিযোগ, তিনি ওই ফোন বাজেয়াপ্ত করে বাকি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের কাছেও মোবাইল আছে কি না, তা জানার চেষ্টা করেন। এরপরই শিক্ষকরা বাজেয়াপ্ত করা ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাঁকে বেদম মারধর করে, আটকে রাখে বলে অভিযোগ।
খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ ওই এসআইকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। এসআই-কে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে আঝাপুরে মেমারি তারকেশ্বর রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান অন্যান্য স্কুলের শিক্ষকরা। স্কুলের শিক্ষক সৌমেন ভট্টাচার্যের দাবি, স্কুলে ইচ্ছাকৃত এই গণ্ডগোল পাকানো হয়েছে। তিনি জানান, তাঁর স্কুলের এক শিক্ষক মার খেয়ে আইসিইউ-তে ভর্তি হয়েছেন।