AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

HS examination: উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষাকেন্দ্রে মা-শাশুড়ির টানাটানি, অসুস্থ পরীক্ষার্থী, হঠাৎ কী হল?

Chaos in HS examination centre: ছাত্রীর মা বলেন, "মা-বাবাকে জিজ্ঞাসা না করে পার্টি অফিসে মেয়ের বিয়ে দিয়েছে। ছেলেটাও ধোঁকা দিয়েছে। মেয়েটা বুঝতে পারছে না। আমি চাই, এখন মেয়েটা আমার সঙ্গে থাকুক। পরে বুঝলে ওর সঙ্গেই থাকতে দেব।" অন্যদিকে, ছাত্রীর শাশুড়ি বলেন, "বৌমা আমাদের ঘর থেকেই পরীক্ষা দিতে এসেছিল। তার মাকে বলেছিলাম, আমাদের বাড়িতে এসে মেয়েকে নিয়ে যান। এখান থেকে নিয়ে যেতে দেব না।"

HS examination: উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষাকেন্দ্রে মা-শাশুড়ির টানাটানি, অসুস্থ পরীক্ষার্থী, হঠাৎ কী হল?
পরীক্ষার্থীকে নিয়ে মা ও শাশুড়ির টানাটানিImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 12, 2026 | 9:01 PM
Share

পূর্ব বর্ধমান: উচ্চমাধ্যমিকের প্রথম দিনের পরীক্ষা সবে শেষ হয়েছে। আচমকা পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে দুই মহিলার বচসা। এক পরীক্ষার্থীকে নিয়ে টানাহেঁচড়া করছেন। অনেকে উৎসুক হয়ে খোঁজ নিতে গিয়েই জানতে পারলেন, ওই পরীক্ষার্থীকে নিয়ে যাঁরা টানাটানি করছেন, তাঁরা পরীক্ষার্থীর মা ও শাশুড়ির। আর এই টানাটানির জেরেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন পরীক্ষার্থী। ঘটনাটি পূর্ব বর্ধমানের গুসকরার।

হঠাৎ পরীক্ষার্থীকে নিয়ে কেন টানাটানি করছিলেন মা ও শাশুড়ি? জানা গেল, দিন পনেরো আগে ওই পরীক্ষার্থীর বিয়ে হয়েছে। প্রেম করে বিয়ে করেছেন। গুসকরা শহরেরই এক যুবকের সঙ্গেই বিয়ে হয়েছে তাঁর। ছাত্রীর বাবা-মা এই বিয়েতে প্রথমে রাজি ছিলেন না বলে অভিযোগ। যদিও ছাত্রীর শাশুড়ির দাবি, দুই পরিবারের মধ্যে কথাবার্তা বলেই বিয়ে ঠিক হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার উচ্চমাধ্যমিকের প্রথম পরীক্ষা দিতে শ্বশুরবাড়ি থেকে গুসকরা পি পি ইন্সটিটিউশন পরীক্ষাকেন্দ্রে আসেন ছাত্রী। স্বামী তাঁকে কেন্দ্রে পৌঁছে দিয়ে চলে যান। অভিযোগ, পরীক্ষা শেষের পর বাইরে বেরোতেই ওই ছাত্রীর মা তাঁকে নিজের সঙ্গে নিয়ে যেতে চান। চলে আসেন পরীক্ষার্থীর শাশুড়ি। শুরু হয় বচসা। ছাত্রীকে নিয়ে টানাটানি। অভিযোগ, ধাক্কাধাক্কির মধ্যে পড়ে গিয়ে মাথায় চোট পান ছাত্রী। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে গুসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে ছাত্রীকে স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে তিনি শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যান। ছাত্রীর মা বলেন, “মা-বাবাকে জিজ্ঞাসা না করে পার্টি অফিসে মেয়ের বিয়ে দিয়েছে। ছেলেটাও ধোঁকা দিয়েছে। মেয়েটা বুঝতে পারছে না। আমি চাই, এখন মেয়েটা আমার সঙ্গে থাকুক। পরে বুঝলে ওর সঙ্গেই থাকতে দেব।” অন্যদিকে, ছাত্রীর শাশুড়ি বলেন, “বৌমা আমাদের ঘর থেকেই পরীক্ষা দিতে এসেছিল। তার মাকে বলেছিলাম, আমাদের বাড়িতে এসে মেয়েকে নিয়ে যান। এখান থেকে নিয়ে যেতে দেব না।”