
মন্তেশ্বর: রাতের অন্ধকারেই বিধ্বংসী আগুন। আগুনে পুড়ে ছাই বাড়ির চাল। রেহাই পেল না কোনও আসবাবই। আলমারিতে থাকা টাকা থেকে একমাত্র মোটরবাইক, আগুনের লেলিহান শিখা শেষ করে দিয়েছে সবই। বরাত জোরে প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন বাড়ির মালিক। শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের সোনাগাছি গ্রামে। এই গ্রামেই বাড়ি শেখ সাইদুলের। বিধ্বংসী আগুনের গ্রাসে চোখের পলকে শেষ হয়ে গিয়েছে সব। এখন সর্বস্ব খুই পথে বসে বসার জোগার ওই ব্যক্তির।
রাতে যখন এ ঘটনা ঘটে তখন একাই ছিলেন সাইদুল। গভীর রাতে যখন আগুন লাগে তখন তিনি ঘুমের মধ্যে। ততক্ষণে ধোঁয়া ঢাকা পড়েছে চারপাশ। তাতেই শুরু হয় শ্বাসকষ্ট। আগুনের তাপে শেষ পর্যন্ত ঘুমটা ভেঙে যায়। আগুন দেখে ততক্ষণে ঘুম ভেঙে গিয়েছে পাড়ার অন্যান্য লোকজনেরও। মুহূর্তেই মধ্যে দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে গোটা বাড়ি। যদিও ততক্ষণে বাড়ি থেকে বাইরে বেরিয়ে এসেছে সাইদুল।
প্রতিবেশীরা ততক্ষণে বালতি বালতি জ্বল নিয়ে এসে ঢালতে শুরু করেছেন। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন সাইদুল। আগুনের তাপে ঝলসে সামান্য আহতও হন সাইদুল। তাঁকে উদ্ধার করে পাহারহাটি ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে কীভাবে আগুন লাগত তা বুঝতে পারছেন না সাইদুল। ঘটনার পিছনে অন্তর্ঘাতের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিতে পারছেন না তিনি। কিন্তু, তার থেকেও বেশি চিন্তায় জীবনধারণ নিয়ে। সর্বস্ব খুইয়ে এখন তিনি চাইছেন সরকার সাহায্য। খবর পেয়ে রবিবার সকালে মন্তেশ্বর থানার পুলিশ ওই এলাকায় আসে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এলাকার লোকজনকে।