Burdwan: ‘বাবার পদবীর সঙ্গে অমিল’, বিষ খেয়ে হাসপাতাল ঘুরে বাড়ি ফিরেও লাইনে মারণঝাঁপ যুবকের

Burdwan Suicide: মিলন রায়ের বাবার বাড়ি বাঁকুড়ার ইন্দাস থানা এলাকায় হলেও তাঁর মায়ের মৃত্যুর পর  জন্মের পর থেকেই  মিলন পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ ব্লকের আমড়ালে  মামার বাড়িতে থাকতেন। মৃতের আত্মীয় ও প্রতিবেশীদের কাছ থেকে আরও জানা গিয়েছে, ভোটার লিস্টে বাবার পদবী বাগদী আর মিলনের পদবী রায়।

Burdwan: বাবার পদবীর সঙ্গে অমিল, বিষ খেয়ে হাসপাতাল ঘুরে বাড়ি ফিরেও লাইনে মারণঝাঁপ যুবকের
শোকস্তব্ধ পরিবারImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Jan 25, 2026 | 8:14 PM

বর্ধমান: একবার নয়, দু-দু’বার আত্মহত্যার চেষ্টা! প্রথমবার বিষ খেয়ে বিফল হয়ে শেষে রেললাইনে মাথা দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন  পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের  আমড়াল গ্রামের মিলন রায়। তার এই মৃত্যুতে শোকের ছায়া গ্রামে। এসআইআর শুনানিতে তাঁকে ডাকা হয়েছিল। সেই আতঙ্কেই তিনি প্রাণ দিলেন, দাবি পরিবারের। পরিবারের দাবি,  নামের পদবীতে ভুলের কারণে নোটিসের  আতঙ্কেই  নাকি  আত্মহত্যা করেছে মিলন রায় নামে বছর পঁয়ত্রিশের ওই যুবক।

মিলন রায়ের বাবার বাড়ি বাঁকুড়ার ইন্দাস থানা এলাকায় হলেও তাঁর মায়ের মৃত্যুর পর  জন্মের পর থেকেই  মিলন পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ ব্লকের আমড়ালে  মামার বাড়িতে থাকতেন। মৃতের আত্মীয় ও প্রতিবেশীদের কাছ থেকে আরও জানা গিয়েছে, ভোটার লিস্টে বাবার পদবী বাগদী আর মিলনের পদবী রায়।  এর ফলে লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সিতে শুনানির নোটিস আসার কারণে আতঙ্কে ভুগছিলেন মিলন।
গত ২১ জানুয়ারি তাঁর শুনানি ছিল খণ্ডঘোষ বিডিও অফিসে।

সেই আতঙ্কে ২০ জানুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে তিনি কীটনাশক খান। তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়  বাঁকুড়ার ইন্দাস ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। সেখান থেকে সুস্থ হয়ে ২১ জানুয়ারি সন্ধার পর বাড়িতেও ফেরেন। বাংলাদেশে যাওয়ার আতঙ্ক তার ভিতর থেকে দূর করা যাচ্ছিল না বলে দাবি পাড়া-প্রতিবেশীদের। ২৩ জানুয়ারি শুক্রবার বাড়ি থেকে কিছুটা দূরেই বাঁকুড়া হাওড়া ভায়া মশাগ্রাম রেললাইনে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন মিলন।