AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Old Man funeral: বেঁচে থাকতে খেতে দিত ওরা, হিন্দু বৃদ্ধের মৃত্যুতে কাঁধ দিল সেই মুসলিম প্রতিবেশীরাই

Old Man funeral: গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, আশপাশের চারটি গ্রামের মধ্যে একমাত্র হাজরা পরিবারই হিন্দু পরিবার। মৃত গণেশ হাজরার ছেলে অনেক দিন ধরেই নিরুদ্দেশ, বিয়ে হয়ে গিয়েছে পরিবারের মেয়েদের। তাই তার শেষকৃত্যের দায়িত্ব তুলে নিতে হয়েছে গ্রামের মুসলিমদের। ধর্মে উর্ধ্বে মানবিকতাই বড় হয়ে উঠেছে সেখানে।

Old Man funeral: বেঁচে থাকতে খেতে দিত ওরা, হিন্দু বৃদ্ধের মৃত্যুতে কাঁধ দিল সেই মুসলিম প্রতিবেশীরাই
বৃদ্ধের সৎকারের আয়োজন করছেন গ্রামবাসীরাImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 09, 2024 | 6:02 AM
Share

কাটোয়া: পরিবার বলতে ছিলেন তিন মেয়ে। তাঁদের বিয়ে হয়ে গিয়েছে অনেক আগেই। কাজ করার ক্ষমতাও চলে গিয়েছে অনেক দিন হল। অগত্যা প্রতিবেশীদের সাহায্যেই দিনযাপন করছিলেন তিনি। গ্রামে গণেশ হাজরার পরিবারই শুধুমাত্র হিন্দু পরিবার। বাকিরা সবাই প্রায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষজন। তবে মানবিকতায় ধর্ম কোনওদিনই বাধা হয়নি। মৃত্যুতেও এগিয়ে এলেন সেই মুসলিম প্রতিবেশীরা। পরিবারের সদস্য তেমন কেউ না থাকায় সৎকারের কাজে হাত লাগালেন তাঁরাই। সম্প্রীতির এক নজির কাটোয়ার সিঙ্গি গ্রাম পঞ্চায়েতের শিমুলগাছি গ্রামে। শেষযাত্রায় পা মেলালেন প্রতিবেশীরা। খাটিয়া এনে মৃতদেহ কাঁধে তুলে নিয়ে তাঁরাই গেলেন শ্মশানে।

গণেশ হাজরা নামে ওই ব্যক্তি বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় গণেশ হাজরার। রাতে পূর্বস্থলীর পাটুলি দামপাল শ্মশান ঘাটে গণেশ হাজরার শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, আশপাশের চারটি গ্রামের মধ্যে একমাত্র হাজরা পরিবারই হিন্দু পরিবার। মৃত গণেশ হাজরার ছেলে অনেক দিন ধরেই নিরুদ্দেশ, বিয়ে হয়ে গিয়েছে পরিবারের মেয়েদের। তাই তার শেষকৃত্যের দায়িত্ব তুলে নিতে হয়েছে গ্রামের মুসলিমদের।

মৃত ব্যক্তির মেয়ে চুমকি হাজরা জানিয়েছেন, সৎকার করছে গ্রামের লোকজনই। শুধুমাত্র তাঁর বাবা নয়, তাঁর জ্যেঠু, পিসি সবার ক্ষেত্রে এই গ্রামবাসীরা এগিয়ে এসেছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। চুমকি আরও জানান, বয়স বেড়ে যাওয়ার পর বাবা আর কোনও কাজ করতে পারতেন না, আর্থিক সামর্থ্যও ছিল না তেমন। প্রতিবেশীরাই খাবার, টাকা সব দিতেন বলে জানিয়েছেন তিনি। চুমকি বলেন, ‘গ্রামের মানুষের জন্যই বাবা বেঁচে ছিল।’

Follow Us