
বর্ধমান: যত বিধানসভা নির্বাচন এগিয়ে আসছে ততই শাসকের গোষ্ঠী কোন্দল সামনে আসছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে। বর্তমান ও প্রাক্তন বিধায়কের দ্বন্দ্বে জেরবার স্থানীয় কর্মী সমর্থকরা। ঘটনায় বিরোধী বিজেপি বিঁধেছে শাসকদলকে। দিন দশেক আগে ভাতারে সভা করেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। দিন কয়েক আগে তারই পাল্টা সভার আয়োজন করে তৃণমূল ওই একই জায়গায়। কিন্তু সেই সভায় ভাতারের প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। শনিবার বিকালে তারই প্রতিবাদে পথে নামেন বনমালী হাজরার অনুগামীরা।
শনিবার বিকালে এসআইআর ইস্যুতে ভাতার বাজারে প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরার নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল হয়। মিছিল শেষে ভাতার বিডিও অফিসের সামনে পথসভায় বর্তমান বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন বনমালী হাজরার অনুগামীরা। তাঁরা প্রকাশ্যে বলেন, কয়েকদিন আগে বনমালী হাজরার বাড়ির পাশে বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারীর আয়োজনে তৃণমূল কংগ্রেসের সভা হয়। সেই সভায় প্রাক্তন বিধায়ককে ব্রাত্য রাখা হয়। তাঁকে আমন্ত্রণ পর্যন্ত জানানো হয়নি।
অথচ গত বিধানসভা নির্বাচনে তাঁরা মানগোবিন্দ অধিকারীর জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তবে এই নিয়ে কার্যত মুখে কুলুপ এঁটেছেন দুই প্রাক্তন ও বর্তমান বিধায়ক। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক বাগবুল ইসলাম বলেন, “দল বিরোধী কাজ দল কখনও বরদাস্ত করবে না। কারও বিরুদ্ধে কারও অভিযোগ থাকতেই পারে। তার জন্য দলে সেই আলোচনা করা উচিত। প্রকাশ্যে দল বিরোধী কথা বলা ঠিক নয়।”
তবে এই ঘটনায় বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, “আমরা বার বার এই বিধায়কের বিরুদ্ধে সরব হয়েছি। আর এখন তার দলের নেতা কর্মীরাই বিধায়কের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে।মানগোবিন্দ অধিকারী বিতর্কিত মন্তব্য করে খ্যাতি অর্জন করেছেন কিন্ত এলাকায় কোন উন্নয়নের কাজ করেন নি।”