SIR in Bengal: শুনানিতে আসা ভোটারদের জন্য তৃণমূলের মধ্যাহ্নভোজ, ছেড়ে কথা বলল না বিজেপি

SIR: বিজেপি নেতা গোপাল চট্টোপাধ্যায় যদিও কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না। খোঁচা দিয়েই বলছেন, “এসআইআর ক্যাম্পে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন ওরা। আসলে তৃণমূল কংগ্রেস তো খাওয়ারই পার্টি। এরা তো সারা জীবনই খেয়েছে। কয়লা, বালি, পাথর চাকরি সব খেয়েছে।”

SIR in Bengal: শুনানিতে আসা ভোটারদের জন্য তৃণমূলের মধ্যাহ্নভোজ, ছেড়ে কথা বলল না বিজেপি
চাপানউতোর রাজনৈতিক মহলে Image Credit source: TV 9 Bangla

| Edited By: জয়দীপ দাস

Jan 19, 2026 | 5:42 PM

পূর্বস্থলী: পুরোদমে চলছে এসআইআর-এর শুনানি পর্ব। এরইমধ্যে শুনানিতে আসা মানুষদের জন্য মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। পূর্বস্থলী ১ ব্লকের শ্রীরামপুর ব্লক কার্যালয়ের কাছে এই গোটা আয়োজন চলে রাজ্যের শাসকদলে পক্ষ থেকে। দেওয়া খিচুড়ি, তরকার। আর তা নিয়েই এবার রাজনৈতিক মহলে জোরদার চর্চা। কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না পদ্ম শিবির। 

এলাকার শাসকদলের নেতাদের দাবি, এসআইআর সংক্রান্ত শুনানিতে দূরদূরান্ত থেকে বহু মানুষ এসেছেন। তাঁদের অসুবিধার কথা মাথায় রেখেই দলের পক্ষ থেকে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়েছিল। মানুষের পাশে থাকা, তাঁদের সহযোগিতা করাই আসলে তাঁদের মূল লক্ষ্য। তবে পাল্টা তোপ দেগেছে বিজেপি। এলাকার বিজেপি নেতারা বলছেন,হেরে যাওয়ার ভয়ে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা। আসলে অন্য চরিত্র তৃণমূলের। 

শুনানিতে এসেছিলেন হুমায়ুন শেখ। তৃণমূলের এই উদ্যোগে যদিও তিনি খুবই খুশি। তিনি বলছেন, “নোটিস পেয়ে হাজিরা দিতে এসেছিলাম। এসে দেখলাম তৃণমূলের পক্ষ থেকে দুপুরে খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। খুবই ভাল লাগলো। হয়রানির মধ্যেও এই ব্যবস্থা দেখে সত্য়িই খুব ভাল লেগেছে। অনেক মানুষই বিভিন্ন গ্রাম থেকে এসেছেন, সকলেই উপকৃত হয়েছেন।”

তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দিলীপ মল্লিক বলছেন, “অনেক দূর দূর থেকে মানুষ আসছে। আসলে এই এসআইআর প্রক্রিয়া একটা নির্যাতন বলে মনে করছি। সারাদিন না খেয়ে তো অনেকে অসুস্থও হয়ে যাচ্ছে। তাই এদের জন্য আমরা কিছু করার চেষ্টা করেছি। একবেলা অন্তত যাতে ওদের না খেয়ে থাকতে হয় সেই চেষ্টা।”  

বিজেপি নেতা গোপাল চট্টোপাধ্যায় যদিও কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না। খোঁচা দিয়েই বলছেন, “এসআইআর ক্যাম্পে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন ওরা। আসলে তৃণমূল কংগ্রেস তো খাওয়ারই পার্টি। এরা তো সারা জীবনই খেয়েছে। কয়লা, বালি, পাথর চাকরি সব খেয়েছে। এখন ভোটের আগে ভয় পেয়ে মানুষকে দেখাচ্ছে তাঁরা মানুষের সঙ্গে আছে। আসলে এদের অন্য চরিত্র আছে। এখন এসব করে মানুষকে ঠকাচ্ছে।”