Digha: দিঘায় তিনদিনের মহাউৎসব ঘিরে ধুমধাম, ব্লকে ব্লকে সরাসরি হবে সম্প্রচার
Digha: দিঘার জগন্নাথ ধাম তৈরির কাজ প্রায় শেষের পথে। নবান্নে সেই মন্দিরের ট্রাস্ট কমিটির সঙ্গে হওয়া প্রথম বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব, জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজি, পুলিশ সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য প্রমুখ।

দিঘা: বাঙালির প্রিয় সৈকত শহরকে বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে তৈরি করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। সমুদ্র সৈকতের সঙ্গেই এবার দিঘার নয়া আকর্ষণ হতে চলেছে জগন্নাথ মন্দির। শীঘ্রই সেই মন্দির চালু হবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে। সদ্য সেই মন্দিরের ট্রাস্টের সঙ্গে প্রথম বৈঠক সেরেছেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নে সেই বৈঠকে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েথে বলে সূত্রের খবর।
পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্যের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতাতেও বিশেষ নজর দিয়েছে প্রশাসন। আগামী ২৮, ২৯ ও ৩০ এপ্রিল তিনদিনের মহা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে দিঘায়। আর সেই উৎসব এবার গোটা রাজ্যে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও থাকছে বিশেষ নজর।
দিঘার জগন্নাথ ধাম তৈরির কাজ প্রায় শেষের পথে। নবান্নে সেই মন্দিরের ট্রাস্ট কমিটির সঙ্গে হওয়া প্রথম বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব, জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজি, পুলিশ সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য, সভাধিপতি উত্তম বারিক, প্রাক্তন মন্ত্রী ও বিধায়ক অখিল গিরি, কাঁথির পুরপিতা সুপ্রকাশ গিরি। এছাড়াও ছিলেন পুরীর দৈত্যাপতি, ইসকন মন্দিরে প্রতিনিধি, কালীঘাট মন্দিরের সেবায়েত, সনাতন ব্রাহ্মণ ট্রাস্টের সদস্য ও সেবায়েতরা।
আগামী ২৮ এপ্রিল হবে মন্দিরে রাখা বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠা, ২৯ এপ্রিল হবে মহাযজ্ঞ আর ৩০ এপ্রিল মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন। সেই উপলক্ষে মহা উৎসব হবে, তার প্রবেশদ্বার হবে কাঁথিতে। সেখান থেকেই সাজানো হবে। লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হবে বলে অনুমান প্রশাসনের। সে কথা মাথায় রেখেই কাঁথি থেকেই কার্যত সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
ওই তিন দিন সারা রাজ্যে ব্লকে ব্লকে জগন্নাথ মন্দিরের পূজা দেখানো হবে। তার আগে সারা দিঘাকে একাধিক জোনে ভাগ করে নজরদারি চালাবে প্রশাসন। মন্দির সহ গোটা এলাকায় থাকবে ১০টি ওয়াচ টাওয়ার।
