
পূর্ব মেদিনীপুর: সিবিআইয়ের হাতে নন্দীগ্রামের ২০০৭ সালের গণধর্ষণকাণ্ডের সাক্ষী গ্রেফতার! ১৯ বছর পর গ্রেফতারি নিয়ে শুরু রাজনৈতিক তরজা। ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল ১৪ জনের। তার পরের দিন গোকুলনগর এলাকায় একটি গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল। দুই মেয়ে ও মা গণধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন, সেই অভিযোগ তোলপাড় করেছিল বাংলা। সেই মামলার তদন্ত ভার হাতে নেয় সিবিআই। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, এতদিনে এই মামলায় মূল অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত আরও দুই অভিযুক্ত খোলা বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অথচ এই মামলায় প্রধান যিনি সাক্ষী, সেই ইন্দুবালা দাসকে গ্রেফতার করল সিবিআই।
উল্লেখ্য নির্যাতিতা আগে সিপিএম করতেন, তারপরে ভূমি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন। ২০২১ এ বিধানসভা নির্বাচনের সময় তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। বুধবার দুপুর ১২টা নাগাদ হঠাৎই ১৯ বছরের পুরনো মামলায় সাক্ষীকে গ্রেফতার করে।
ইন্দুবালা দাসের পাশে দাঁড়িয়েছে তৃণমূল। আইনি লড়়াইয়ে তাঁর পাশে থাকার বার্তাও দিয়েছেন। ইন্দুবালার ছবি হাতে সাংবাদিক বৈঠক করেন তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূলের তমলুক সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুজিত রায়ের বক্তব্য, “ইন্দুবালার বয়স হয়েছে। তিনি অসুস্থ। সাক্ষ্য দিতে যেতে পারছেন না বলে ১৯ বছর পুরনো মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।” আরও অভিযোগ, যাঁরা অভিযুক্ত, তাঁরা সিপিএম করত। এখন বিজেপি করেন বলে অভিযোগ। তৃণমূলের বক্তব্য, আসলে ছাব্বিশের নির্বাচন আসছে। ভোটের আগে নন্দীগ্রামের মতো জায়গায় আবারও সিবিআই কিংবা কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাপট বাড়বে।