Moyna: পকেট থেকে বিড়ি-দেশলাই পাওয়া গেল, অথচ ফোনটা নেই! হনুমান পুজোয় বাড়ি থেকে বেরনোর পরই এই ভয়ঙ্কর ঘটনা

Purba Medinipur: পরিবারের পাশাপাশি, স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকেও একই দাবি করা হয়েছে। তবে সত্যিই খুন না কি অন্য কোনও ঘটনা, তার তদন্ত শুরু করেছে ময়না থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে ময়না থানার পুলিশ পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

Moyna: পকেট থেকে বিড়ি-দেশলাই পাওয়া গেল, অথচ ফোনটা নেই! হনুমান পুজোয় বাড়ি থেকে বেরনোর পরই এই ভয়ঙ্কর ঘটনা
Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Jan 02, 2026 | 7:13 AM

ময়না: ভোট আসতে আর কয়েকমাস বাকি। তার আগেই বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর জেলায়। গত রবিবার হনুমান পুজো উপলক্ষে বাড়ি থেকে বেরনোর পর আর বাড়ি ফেরেননি ওই যুবক। বৃহস্পতিবার পুকুরে ভাসতে দেখা যায় ৩৩ বছরের ওই কর্মীর দেহ। পরিবারের তরফ থেকে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ তুলেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বও।

পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার ঘটনা। বাড়ির পাশেরই একটি পুকুর থেকে রহস্যজনকভাবে ওই যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃত ওই যুবকের নাম সুব্রত অধিকারী, বয়স ৩৩। ময়না ব্লকের সুদামপুর গ্রামের বাসিন্দা তিনি। ওই গ্রামেরই একটি পুকুর থেকে উদ্ধার হয় দেহ।

পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, গত রবিবার সন্ধ্যায় বলাই পন্ডা এলাকায় হনুমান পুজো উপলক্ষে অনুষ্ঠান দেখতে বেরিয়েছিলেন ওই যুবক। কিন্তু আর বাড়ি ফেরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর পরিবারের লোকজন সোমবার ময়না থানায় একটি নিখোঁজ ডায়রি করেন। তারপরও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ পরিবারের। চারদিন নিখোঁজ থাকার পর বৃহস্পতিবার বাড়ির পাশ থেকেই রহস্যজনকভাবে উদ্ধার হয় তাঁর দেহ।

যুবকের মা কাজল অধিকারীর অভিযোগ, তাঁর ছেলেকে কেউ বা কারা খুন করেছে। পরিবারের পাশাপাশি, স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকেও একই দাবি করা হয়েছে। তবে সত্যিই খুন না কি অন্য কোনও ঘটনা, তার তদন্ত শুরু করেছে ময়না থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবারই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ময়না থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল ছড়িয়েছে।

ময়না ১৯৪ নম্বর বুথের বিজেপি কর্মী সুব্রত অধিকারীর এই অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ময়নায়। ময়নার বিজেপি নেতা সুজিত বেরা প্রশ্ন তুলেছেন, যদি ওই যুবক পুকুরে পড়ে গিয়ে থাকেন, তাহলে তাঁর পকেটে ফোনটা পাওয়া গেল না কেন? বিড়ি-দেশলাই সব পাওয়া গেলেও মোবাইল পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন তিনি।
পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এলাকার পুলিশ ঘটনাস্থলে তদন্তে নেমেছে। তবে এলাকার তৃণমূল নেতারা খুনের তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়েছে।

Follow Us