Matangini Hazra: মাতঙ্গিনী হয়ে গেলে ‘মানতাগিনী’! তীব্র প্রতিবাদ বীরাঙ্গনার পরিবারের
একবার নয়, বারবার মাতঙ্গিনী হাজরাকে অপমান করা হচ্ছে বলে দাবি পরিবারের। র আগে এক বিজেপি নেতা মাতঙ্গিনীকে মুসলিম পরিবারের সদস্য বলে উল্লেখ করেছিলেন। বারবার এরকম ভুল করে মাতঙ্গিনীকে অপমান করা হচ্ছে বলে সরব হয়েছেন মাতঙ্গিনীর পরিবারের সদস্যরা। তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকার বাসিন্দারা।

পূর্ব মেদিনীপুর: প্রজাতন্ত্র দিবসে কর্তব্যপথের অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা সংগ্রামী মাতঙ্গিনী হাজরার নাম ভুল উচ্চারণ করার অভিযোগ উঠেছে। বাংলার ট্যাবলোয় থাকা মাতঙ্গিনীর মূর্তির পরিচয় করাতে গিয়ে সঞ্চালিকা বলে ফেলেন ‘মানতাগিনী হাজরা’। এই উচ্চারণেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ভুল সংশোধনও করা হয়নি, ফলে নিন্দার ঝড় উঠেছে বিভিন্ন মহলে। কুচকাওয়াজ চলাকালীনই ওই ভুল উচ্চারণ করেন সঞ্চালিকা। এরপরই তীব্র প্রতিবার মাতঙ্গিনী পরিবারের।
একবার নয়, বারবার মাতঙ্গিনী হাজরাকে অপমান করা হচ্ছে বলে দাবি পরিবারের। র আগে এক বিজেপি নেতা মাতঙ্গিনীকে মুসলিম পরিবারের সদস্য বলে উল্লেখ করেছিলেন। বারবার এরকম ভুল করে মাতঙ্গিনীকে অপমান করা হচ্ছে বলে সরব হয়েছেন মাতঙ্গিনীর পরিবারের সদস্যরা। তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকার বাসিন্দারা।
তৃণমূলের বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া পেজ থেকে ঘটনার মুহূর্তের ভিডিয়ো পোস্ট করে নিন্দা জানানো হয়েছে। এই প্রসঙ্গে মাতঙ্গিনী হাজরার পরিবারের পক্ষ থেকেও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তাঁর আত্মীয়রা।
মাতঙ্গিনী হাজরার পরিবারের সদস্য রাজেশ হাজরা বলেন, “যিনি ১৯৪২ সালে আন্দোলনে প্রাণ দিয়েছিলেন, সেই স্বাধীনতা সংগ্রামী মহিলাকে যেভাবে অপমান করা হচ্ছে, তার নিন্দা করছি। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কেও অপমান করা হচ্ছে। বাংলার সংস্কৃতি বোঝে না এরা।”
৭৭ তম সাধারণতন্ত্র দিবসে বাংলার ট্যাবলোর একেবারে সামনেই ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। সঙ্গে দেখা গিয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। ট্যাবলোয় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, বিবেকানন্দ, বিনয়-বাদল-দীনেশ, মাতঙ্গিনী হাজরার মতো বিপ্লবীদেরও মূর্তি ছিল ট্যাবলোতে।
