Nandigram: সুফিয়ান ভার্সেস শামসুল, সামনে চলে এল তৃণমূলের ঘরের ঝামেলা
TMC: যদিও শামসুল ইসলাম জানিয়েছেন, "সুফিয়ানবাবুর ব্যক্তিগত মেলা। তাই তিনি কার নাম রাখবেন,আর কার নাম রাখবেন না তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই।" অপরদিকে ব্লক সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গ জানিয়েছেন," আমি সুফিয়ান বাবুর হৃদয়ে রয়েছি। কাগজে নাম নাই বা লেখা হল।"

নন্দীগ্রাম: পল্লী উৎসব নিয়ে জোর বিতর্ক নন্দীগ্রামে। প্রকাশ্যে চলে এলে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ান ও শামসুল ইসলামের গোষ্ঠী কোন্দলে কার্যত অস্বস্তিতে শাসকদল। ঘটনার সূত্রপাত মেলার আমন্ত্রণ নিয়ে। মূলত, এই পল্লী উৎসবটি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে প্রাক্তন জেলা সহ-সভাধিপতি শেখ সুফিয়ানের তত্ত্বাবধানে। প্রতিবছর এই মেলার উদ্বোধকের তালিকায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন নেতা ও মন্ত্রীদের নাম থাকে। তাঁদের জানানো হয় আমন্ত্রণ। তবে এ বছর ঘটল ব্যাতিক্রম।
উদ্বোধকের তালিকায় বিভিন্ন মন্ত্রী তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য ও জেলার বিভিন্ন নেতৃত্ব প্রায় নাম রয়েছে। শুধু বাদ গেছেন নন্দীগ্রাম ১ তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গ। জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শামসুল ইসলাম এবং ওই এলাকার জেলা পরিষদের সদস্যা নন্দিনী গোল।
যদিও শামসুল ইসলাম জানিয়েছেন, “সুফিয়ানবাবুর ব্যক্তিগত মেলা। তাই তিনি কার নাম রাখবেন,আর কার নাম রাখবেন না তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই।” অপরদিকে ব্লক সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গ জানিয়েছেন,” আমি সুফিয়ান বাবুর হৃদয়ে রয়েছি। কাগজে নাম নাই বা লেখা হল।”
বস্তুত, বিজেপির দাবি যে আসনে শামসুল ইসলাম জেলা পরিষদে টিকিট পেয়েছে ওই আসনে শেখ সুফিয়ানের দাঁড়ানোর কথা ছিল। আবার যে আসনে নন্দিনী গোল টিকিট পেয়েছেন সেখানে শেখ সুফিয়ান ঘনিষ্ঠ নাসিমা বিবির টিকিট পাওয়ার কথা ছিল। নাসিমা বিবি টিকিট না পেয়ে নির্দলে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আর ব্লক সভাপতি স্বদেশ রঞ্জন দাসকে সরিয়ে বাপ্পাদিত্য গর্গকে ব্লক সভাপতি করা হয়েছে। এ দিক দিয়ে একদিকে শামসুল ইসলাম অপরদিকে শেখ সুফিয়ান।
যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করে ফোনে তিনি বলেন, “বাপ্পাদিত্য গর্গকে আমি অফিসে গিয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। শামসুল ইসলামকে কার্ড দিয়ে আমন্ত্রণ করেছি। মিথ্যা অপপ্রচার চলছে। কার্ডে জায়গা কম তাই নাম দেওয়া যায়নি।”
