Purulia: বাসের কেবিনে ভন্ ভন্ করছিল মাছি, কাছে যেতেই শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল চালকের
Bus Conductor Found Dead: প্রতিদিনের মতোই মানবাজার থেকে পুরুলিয়াগামী ওই বাসটির ভেতরেই রাতে ঘুমাতেন সন্তু। এদিন ভোরে বাসের চালক এসে যথারীতি ডাকাডাকি শুরু করেন। কিন্তু ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না মেলায় সন্দেহ হয় চালকের। এরপর তিনি বাইরে থেকে বাসের দরজা খুলে ভেতরে ঢোকেন এবং কেবিনের মধ্যে সন্তুকে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

পুরুলিয়া: বাসের মালপত্র যেখানে রাখা হয়, সেখানেই বেশ কিছু মাছি ভন্ ভন্ করছিল। তাতে সন্দেহ হয় বাস চালকের। এদিকে আবার বাসচালকও খুঁজে পাচ্ছিলেন না। অনেক ডাকাডাকিতেও সাড়া পাচ্ছিলেন না। কেবিনের কাছে যেতেই চক্ষু চড়কগাছ। সেখানেই পড়ে রয়েছে কন্টাকটারের দেহ। সাত সকালে বেসরকারি বাসের কেবিন থেকে এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়ার মানবাজার এলাকায়।
রবিবার সকালে পুরুলিয়ার মানবাজার বাস স্ট্যান্ডে এক বাসের খালাসির রহস্যমৃত্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল। মৃত যুবকের নাম সন্তু মাহাতো (২২)। তাঁর বাড়ি স্থানীয় কুড়ুকতোপা গ্রামে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতোই মানবাজার থেকে পুরুলিয়াগামী ওই বাসটির ভেতরেই রাতে ঘুমাতেন সন্তু। এদিন ভোরে বাসের চালক এসে যথারীতি ডাকাডাকি শুরু করেন। কিন্তু ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না মেলায় সন্দেহ হয় চালকের। এরপর তিনি বাইরে থেকে বাসের দরজা খুলে ভেতরে ঢোকেন এবং কেবিনের মধ্যে সন্তুকে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
ঘটনার পরই খবর দেওয়া হয় মানবাজার থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে মানবাজার গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। যুবকের আকস্মিক মৃত্যুতে বাস স্ট্যান্ড চত্বরে ভিড় জমায় সাধারণ মানুষ। এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।
