Canning Police: হোমগার্ড পারভিনের রহস্যমৃত্যু! ৫ দিন পর আত্মীয়ের বাড়ি থেকে গ্রেফতার SI

HomeGuard Mysterious Death: গত ২৮ ডিসেম্বর ক্যানিং থানার পুলিশ কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার হয় হোমগার্ড গুলজান পারভিন মোল্লা ওরফে রেশমির দেহ। তাঁর বাড়ি ক্যানিং ২ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত জীবনতলা থানার উত্তর মৌখালী এলাকায়। কোয়ার্টারের ঘর থেকে পারভিনের গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়।

Canning Police: হোমগার্ড পারভিনের রহস্যমৃত্যু! ৫ দিন পর আত্মীয়ের বাড়ি থেকে গ্রেফতার SI
বাঁদিকে নিহত রেশমি, ডানদিকে অভিযুক্ত সাব-ইন্সপেক্টর Image Credit source: নিজস্ব চিত্র

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Jan 01, 2026 | 4:42 PM

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ক্যানিং থানায় কর্মরত হোমগার্ড গুলজার পারভিন মোল্লার মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত পলাতক ক্যানিং থানার সাব ইন্সপেক্টর সায়ন ভট্টাচার্য গ্রেফতার। বৃহস্পতিবার স্বরূপনগরের এক আত্মীয় বাড়িতে থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত ওই পুলিশ অফিসারকে আলিপুর আদালতে পেশ করা হয়। সেই সঙ্গে ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হবে আদালতে। সেই সঙ্গে পুলিশ এই ঘটনায় আরও একটি দিকের খোঁজ পেয়েছে। তবে এখনই সে বিষয়টি তদন্তের স্বার্থে সামনে আনতে চায়নি পুলিশ। তদন্ত চলছে। ৬ সদস্যের একটি দল এই ঘটনার তদন্ত করছে।

যদিও ধৃত এসআই-এর স্ত্রীর বক্তব্য, তাঁর স্বামীকে ফাঁসানো হচ্ছে। তিনি বলেন, “ওই হোমগার্ডের যাঁর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল, তাঁর নামও সায়ন। ভাল পুলিশ অফিসারকে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই মহিলার সঙ্গে যার ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে কী সম্পর্ক রয়েছে। যাকে দেখা গিয়েছে ভিডিয়োয়, তাঁকে কেন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে না?”

গত ২৮ ডিসেম্বর ক্যানিং থানার পুলিশ কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার হয় হোমগার্ড গুলজান পারভিন মোল্লা ওরফে রেশমির দেহ। তাঁর বাড়ি ক্যানিং ২ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত জীবনতলা থানার উত্তর মৌখালী এলাকায়। কোয়ার্টারের ঘর থেকে পারভিনের গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। ক্যানিং থানার পুলিশ দ্রুত দেহ উদ্ধার করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে দেন চিকিৎসকরা।

প্রাথমিকভাবে এই ঘটনাকে আত্মহত্যার ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু কী কারণে আত্মহত্যা? তা খতিয়ে পুলিশের হাতে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পরিবারের দাবি, এসআই সায়ন ভট্টাচার্যের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল পারভিনের। সায়ন বিবাহিত ছিলেন। তারপরও পারভিনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তাঁর। পরিবারের খুনের অভিযোগ তোলা হয়।