Canning Strong Room Issue: ক্যানিংয়ে স্ট্রং রুমে লোডশেডিং! বন্ধ সিসিটিভি মনিটর, রহস্যের গন্ধ পাচ্ছেন বিজেপি প্রার্থী

Canning Strong Room Power Outage: সূত্রের খবর, এদিন রাত আনুমানিক ৮টা ৪০ মিনিট নাগাদ হঠাৎ করেই বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে গোটা কলেজ চত্বর। লোডশেডিংয়ের সঙ্গে সঙ্গেই স্ট্রং রুমের নজরদারির জন্য রাখা দু’টি সিসিটিভি মনিটরের মধ্যে একটি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় বলে অভিযোগ।

Canning Strong Room Issue: ক্যানিংয়ে স্ট্রং রুমে লোডশেডিং! বন্ধ সিসিটিভি মনিটর, রহস্যের গন্ধ পাচ্ছেন বিজেপি প্রার্থী
চাপানউতোর রাজনৈতিক মহলে Image Credit source: TV 9 Bangla

May 01, 2026 | 1:00 AM

দেবব্রত মণ্ডলের রিপোর্ট

ক্যানিং: শুধু কলকাতা নয়, স্ট্রংরুমে ইভিএমের নিরাপত্তা নিয়ে টানটান উত্তেজনা ক্যানিংয়েও। স্ট্রংরুমে বিদ্যুৎ বিভ্রাটকে কেন্দ্র করে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। ক্যানিং মহকুমার ৪টি বিধানসভা কেন্দ্র গোসাবা, বাসন্তী, ক্যানিং পশ্চিম ও ক্যানিং পূর্বের ইভিএমগুলি রাখা হয়েছে বঙ্কিম সর্দার কলেজের স্ট্রং রুমে। 

সূত্রের খবর, এদিন রাত আনুমানিক ৮টা ৪০ মিনিট নাগাদ হঠাৎ করেই বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে গোটা কলেজ চত্বর। লোডশেডিংয়ের সঙ্গে সঙ্গেই স্ট্রং রুমের নজরদারির জন্য রাখা দু’টি সিসিটিভি মনিটরের মধ্যে একটি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় বলে অভিযোগ। এদিকে ভোটের ফলপ্রকাশের অপেক্ষায় থাকা সব রাজনৈতিক দলের এজেন্টই স্ট্রং রুমের বাইরে থাকা মনিটরে নজর রাখছেন। এখন আচমকা সিসিটিভি মনিটর বিকল হওয়ার খবর চাউর হতেই স্ট্রং রুমের বাইরে থাকা তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়। উভয় পক্ষই ইভিএমের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করতে থাকে। জেনারেটর কেন চলল না সেই প্রশ্নও উঠেছে। 

এদিকে  এই ঘটনার চাঞ্চল্যকর এবং এক্সক্লুসিভ ফুটেজ ইতিমধ্যেই টিভি৯ বাংলার হাতে এসেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ বা সিসিটিভি বন্ধ হওয়ার বিষয়ে এখনও কোনও অফিসিয়াল ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে রাতের অন্ধকারে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যানিংয়ের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

গোসাবার বিজেপি প্রার্থী বিকর্ণ নস্কর বলছেন, “ওখানে বারবার ক্যামেরা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। পরেশরাম দাস ঢুকল। তারপরই লাইট অফ হয়ে গেল। বাইরে আমাদের প্রতিনিধি যাঁরা ছিল তারা মনিটরে কিছু দেখতে পাচ্ছে না। আমি RO-কে জানিয়েছি। কমিশন যেন এটা নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়।” ইতিমধ্যেই তিনি কমিশনে ইমেলও করেছেন। 

অন্যদিকে তৃণমূল প্রার্থী পরেশ রাম দাসও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বলছেন, “আমি যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখলাম কারেন্ট চলে গেল। দীর্ঘ ২০ মিনিট পর জেনারেটর চালু হয়। ২০ মিনিট পুরো অন্ধকার ছিল। সিসিটিভি-ও অফ ছিল, ঝাপসা ছিল। আমরা খুবই ভয় পাচ্ছি। লোডশেডিং করে কোনও চক্রান্ত যেন না করা হয় তা দেখতে হবে। কমিশনের আধিকারিকদের তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।” 

Follow Us