
দক্ষিণ ২৪ পরগনা: চাম্পাহাটির হাড়ালের বিস্ফোরণস্থল ঘুরে দেখলেন আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল। শনিবারে বিস্ফোরণের ঘটনায় কেঁপে উঠেছিল বারুইপুর থানার চাম্পাহাটির হাড়াল গ্রামের বিধান নস্করের কারখানা। সেই বিস্ফোরণের ঘটনায় গৌরহরি গোস্বামী নামের একজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আরও তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রবিবার সেই বিস্ফোরণস্থল খতিয়ে দেখতে আসেন আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে জাতীয় কংগ্রেসের এক প্রতিনিধিদল। দুর্ঘটনাস্থলে ঠিক পাশেই যেভাবে বারুদের মশলা মজুদ রয়েছে তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন, সেই সঙ্গে বারুইপুর থানার পুলিশের তদন্তর গতি প্রকৃতি নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়।
শনিবার দুপুরে পরপর বিকট শব্দে কেঁপে উঠল গোটা এলাকা। গুরুতর আহত হন ৪ জন। চম্পাহাটির হাড়ালে ওই বাজি কারখানায় চারবার বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। একটি বাড়ির ছাদ উড়ে গিয়েছে। কারখানার একাংশ ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। একটি আস্ত গাছ উড়ে গিয়েছে। চম্পাহাটিতে এমন বিস্ফোরণের ঘটনা এই প্রথম নয়। বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, প্রশ্ন উঠছে। এইসব কারখানায় বারুদের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণ দাহ্য পদার্থ রাখা থাকে।
চম্পাহাটিতে বাজির ক্লাস্টার তৈরি করার জন্য জমি নির্ধারণ তৈরি করা হয়েছিল। গ্রাম থেকে দূরে বেগমপুর মউজায় বাজি হাব তৈরি হওয়ার কথা ছিল। স্থানীয় মানুষজনও চাইছেন, তাঁদের বাড়ি থেকে দূরে বাজি কারখানা তৈরি করা হোক।