AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Kanti on Sundarban: ‘৮০ লক্ষ শওকত ঝেরেছে’, মৎস্যমন্ত্রী অভিযোগ করলেন কান্তি

অভিযোগ, সুন্দরবন এলাকায় মৎস্যজীবীদের ক্ষতিপূরণের টাকা দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়াও এই জেলার বারুইপুর,সোনারপুরসহ যে সমস্ত এলাকায় নদী বা উপকূলবর্তী এলাকা নয় সেখানেও ক্ষতিপূরণের টাকা দেওয়া হয়েছে বলে কান্তির দাবি। শুধুমাত্র বারুইপুর ব্লকে যেখানে মাত্র কয়েকটি খাল আছে সেখানেও ২৫০ জন উপভোক্তাকে ৩ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল।

Kanti on Sundarban: '৮০ লক্ষ শওকত ঝেরেছে', মৎস্যমন্ত্রী অভিযোগ করলেন কান্তি
কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়Image Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jul 30, 2026 | 12:31 PM
Share

সুন্দরবন: সালটা ২০২০-র ২০ মে। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় আমফান কার্যত ধ্বংস করে দিয়েছিল সুন্দরবনের উপকূলবর্তী এলাকা। সেই ঘূর্ণিঝড়ে একদিকে যেমন ঘর বাড়ি ভেঙে গিয়েছিল, তেমনই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। পরবর্তীতে আমফানে দেওয়া কেন্দ্রীয় ত্রাণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল তৎকালীন রাজ্য সরকার তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই আমফানের ক্যাগ রিপোর্ট পেশ করেছে বর্তমান রাজ্য সরকার। রিপোর্ট বলছে,ত্রাণ ও নদী বাঁধ পুনর্নির্মাণের জন্য প্রায় ৩২,০০০ কোটি টাকা বাড়িয়ে দেখিয়েছিল তৎকালীন রাজ্য সরকার। এরই মধ্যে আবার বোমা ফাটালেন সিপিএম নেতা তথা প্রাক্তন সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়। আমফানের সময় তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে টাকা নয়ছয় এবং বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ তুলে রীতিমতো বিজেপির পরিচালিত রাজ্য সরকারের মৎস্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠালেন তিনি। উপযুক্ত তদন্তের দাবি করেছেন।

অভিযোগ, সুন্দরবন এলাকায় মৎস্যজীবীদের ক্ষতিপূরণের টাকা দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়াও এই জেলার বারুইপুর,সোনারপুরসহ যে সমস্ত এলাকায় নদী বা উপকূলবর্তী এলাকা নয় সেখানেও ক্ষতিপূরণের টাকা দেওয়া হয়েছে বলে কান্তির দাবি। শুধুমাত্র বারুইপুর ব্লকে যেখানে মাত্র কয়েকটি খাল আছে সেখানেও ২৫০ জন উপভোক্তাকে ৩ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। অপরদিকে, ফলতায় ১০ হাজার ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যজীবীদের টাকা দেওয়া হয়। একই অবস্থা ক্যানিং পূর্বেও। যাঁদের প্রয়োজন নেই তাঁদেরও টাকা দেওয়া হচ্ছে।

কান্তি বলেন, “আমফানে দুর্নীতি। মৎস্যজীবীদের নামে নৌকো কেনার জন্য ১৩ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। বারুইপুরে নৌকো নেই। ক্যানিং ২ নৌকা চলে বলে ৮০ লক্ষ শওকত ঝেরেছে। ফলতায় ১০ হাজার নৌকা চলে বলে জাহাঙ্গীর টাকা মেরেছে। এক্ষেত্রে গুণ্ডাদমন আইন প্রয়োগ করে দেখান।” বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা এলাকার বিজেপি নেতা দিলীপ হালদার বলেন, “আরও একটা দুর্নীতির অধ্যায় অবশ্যই মুক্ত হতে চলেছে।”

Follow Us