AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Tapasi Dutta

Tapasi Dutta

Author - TV9 Bangla

tapasi.dutta@tv9.com

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপনে স্নাতক। ২৪ ঘণ্টায় ইন্টার্নশিপ দিয়ে কর্মজীবন শুরু। তারপর ফোর্থ পিলার হয়ে TV9 বাংলায়। অভিজ্ঞতা রয়েছে বিনোদনের খবর লেখারও। পুরুলিয়া থেকে কলকাতায় এসে কাজ শুরু। অভিজ্ঞতা রয়েছে টিভি মিডিয়া ও ডিজিটাল মিডিয়া, দুই ক্ষেত্রেই কাজ করার। ভাল লাগে রান্না করতে, বেড়াতে যেতে, গান শুনতে।

Read More

“সন্তানের জন্ম” দিতে শিখে গেল AI!

আমি বলতে চাইছি অন্য কথা। এতদিন, আমরা দেখেছি সময় যতো এগোচ্ছে ততই নানা সংস্থা তাদের এআই-এর নতুন নতুন অ্যাডভান্সড মডেল বাজারে আনছে। যেমন ওপেনআই গত জানুয়ারি মাসে তাদের লেটেস্ট মডেল GPT-5.5 লঞ্চ করেছে। একটা কথা বলা হচ্ছিল যে কৃত্রিম মেধা চাকরি খাবে, তা ঠিক। তবে, এআই মডেলগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ এবং অ্যাডভান্সড মডেল তৈরির জন্য মানুষকে তো লাগবেই। সম্প্রতি, এআই ক্লড-কে নিয়ে নিজেদের ব্লগে গবেষণামূলক একটা লেখা পোস্ট করেছে অ্যানথ্রোপিক। আর তা নিয়ে দুনিয়া জুড়ে শোরগোল পড়ে গেছে। অ্যানথ্রোপিক দাবি করেছে তাদের লেটেস্ট এআই মডেল ক্লড ওপাস ৪.৬ নিজেই নিজের অ্যাডভান্সড ভার্সন তৈরি করতে পারছে। মানে, মন দিয়ে ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করুন। একটা ভালো এআই মডেল তার চেয়েও ভালো একটা দ্বিতীয় মডেল তৈরি করবে। সেই দ্বিতীয় মডেলটা আবার তার চেয়েও শক্তিশালী তৃতীয় একটা মডেল তৈরি করবে। অর্থাত্‍, এআই এখন নিজেই নিজের সন্তানের জন্ম দিতে শিখে গেছে। এবং বংশগতি বজায় রাখতেও শিখে গেছে। মানে মানুষের আর কোনও প্রয়োজন নেই। সুতরাং, চাকরি-বাকরি তো সব গেল। অ্যানথ্রোপিক তাদের ব্লগে লিখছে যে শুরুতে সফট্অয়্যার তৈরি করতে ইঞ্জিনিয়াররা হাতে-কলমে কোড লিখতেন। তারপর এল এআই চ্যাটবট। তারা ছোটখাটো কোড লিখতে সাহায্য করত। সেটা এখন কোডিং এজেন্টে পরিণত হয়েছে। ফলে ওই ইঞ্জিনিয়ারদের আর কোনও দরকার নেই।

দুনিয়ার সেরা নৌ-শক্তি হয়ে ওঠার পথে ভারত

ঘটনাটা ছাব্বিশে মে-র। ইন্ডিয়ান নেভি সম্প্রতি বিষয়টা প্রকাশ্যে এনেছে। ওমান উপকূল থেকে প্রায় ৬০ নটিক্যাল মাইল দূরে ওমান উপসাগরে ভাসমান MT Olympic Life নামে একটা তেলবাহী জাহাজ থেকে ভারতীয় নৌ-সেনা বিপদবার্তা পায়। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ফুজাইরাহ বন্দর থেকে প্রায় ২০ লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটা ভারতের কোচি বন্দরে আসছিল। জাহাজের ক্যাপ্টেন জানান তাঁর শিপে মিসাইল এসে পড়েছে। তবে, মিসাইলটা ফাটেনি। জাহাজের পিছন দিকে খোল ফুটো করে মিসাইলটা গেঁথে রয়েছে। মিসাইলের মাথাটা জাহাজের মেন ফুয়েল ট্যাঙ্কের ভেতর ঢুকে গিয়েছে। আমি এই অবস্থাতেই জাহাজ নিয়ে কোচির দিকে এগোচ্ছি। আপনারা সাহায্য করুন। চিন্তা করে দেখুন, ২০ লক্ষ ব্যারেল তেল নিয়ে চলা একটা ট্যাংকারের ফুয়েল ট্যাংকের ভেতর লাইভ মিসাইল ওয়ারহেড আটকে থাকা মানে যে কোনও মুহূর্তে বিস্ফোরণে জাহাজ ডুবে যেতে পারে। সেটা হলে জাহাজের একজন ক্রু-ও বাঁচবেন না। আর সমুদ্রে Massive Oil Spill তৈরি হয়ে পরিবেশের ক্ষেত্রে ভয়ঙ্কর বিপর্যয় আসবে। জাহাজ থেকে বিপদবার্তা আসার পরই কাজে নামে ভারতীয় নৌবাহিনীর ইনফরমেশন ফিউশন সেন্টার – ইন্ডিয়ান ওশান রিজিয়ন।

আমি এমনিতে ডিম খেতে প্রচণ্ড ভালোবাসি: কুণাল ঘোষ

আজকে যদি পাথর মারত, আমার এই চোখটা বারোটা বাজত (বাঁ চোখ দেখিয়ে)। আমি এমনিতে ডিম খেতে প্রচণ্ড ভালোবাসি। ডিমের প্রতি আমার একটা আকর্ষণ রয়েছে। অমলেট, সেদ্ধ, আমি ডিম খাই। সেটা মেরে কেউ বীরত্ব দেখাতে গেছেন। এভাবে আমাকে থামাতে পারবে না। আমাকে রাস্তায় একশো-হাজার ডিম মারবে। গায়ে হাত দিয়ে মারবে। আমি কুণাল ঘোষ যেমন আছি, তেমন থাকব: কুণাল ঘোষ

মমতা যে শেষের দিকে কার পাল্লায় পড়লেন!: অনুব্রত

'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একা হয়েছে খারাপ লাগছে কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভালোবাসতাম। শুধু আমি কেন অনেকেই ভালোবাসত। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শেষ দিকে কার পাল্লায় পড়লেন বুঝতে পারলাম না', আক্ষেপের সুর অনুব্রত মণ্ডলের গলায়।

অভিষেক শ্রীঘরে যাবেন: হুমায়ুন

'ফিরহাদ হাকিমকে দিয়ে আমাকে যেদিন সাসপেন্ড করিয়েছিল, সেদিনই আমি বলেছিলাম তৃণমূল পার্টিটা আগামী ২০২৬-এ আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না, সেইটাই হয়েছে। কাজেই পার্টিটা যে আর থাকবে না এমনটাই আঁচ পেয়েছিলাম। আর ওপরওয়ালার দয়ায় তাই হয়েছে,' বললেন হুমায়ুন কবীর।

মমতাকে শর্ত দিলেন অনুব্রত

'অনুব্রত মণ্ডলের রাজনীতি অবস্থান এই মুহূর্তে ভালো আছে। সম্মান পেলে দল করব, সম্মান না পেলে দল করব না। আর অন্য কোনোও চিন্তা ভাবনা করিনি। জেল থেকে ফেরার পর থেকে রাজনীতি করা বন্ধ করে দিয়েছিলাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানে, সবাই জানে,' এমনটাই দাবি অনুব্রত মণ্ডলের।

দুই-তৃতীয়াংশের বেশি বিধায়কের সমর্থন আছে: ঋতব্রত

আজ সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা। আজ বিধানসভায় শপথ নিয়েছেন দুই বিধায়ক, একজন বিজেপি বিধায়ক ও একজন তৃণমূল বিধায়ক। সেই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঋতব্রত ও সন্দীপন। সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, 'আমরাই তো মূল ফোর্স, দুই তৃতীয়াংশ বেশি বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। তাই আমার এটা নৈতিক দায়িত্ব, কেউ শপথ নিতে এলে আমি আর সন্দীপন সেখানে উপস্থিত থাকব'।

দিদি অভিষেককে নিয়ে চললে চলুক, আমাকে দরকার নেই: কল্যাণ

অভিষেকের মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কল্যাণ ব্যানার্জী। নিজেই বলে দিলেন কারণটা,'আমাকে ডাস্টবিন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। আমি বলেছিলাম আমাকে ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বলে দাও আমি করব কি করব না,কিছুই জানায়নি। আমি পড়ে রেডি হলাম ভাবলাম কিছু জানায়নি মানে মামলা করতে হবে। রাত দশটায় আমার ছেলেকে টেক্সট করে বলেছে যে আমাকে থাকার দরকার নেই অয়ন ভট্টাচার্য থাকবে'।

অভিষেকের মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কল্যাণ

ঘরে-বাইরে এবার প্রবল চাপে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতেও এবার একা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের হয়ে আর মামলা লড়বেন না আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিকে একের পর এক চিঠি পৌঁছে যাচ্ছে অভিষেকের কাছে, হাজির হবেন কি না সেটা পরে জানা যাবে।

মিশন আন্দামান, কতটা তৈরি ভারতের নৌ-সেনা?

আগামী আড়াই বছরে মিশন আন্দামানকে বাস্তব রূপ দিতে হবে তাঁকে। আইএনএস জারোয়া, আইএনএস কোহাসা, আইএনএস কারদীপ এবং আইএনএস উত্‍কর্ষ। আন্দামান ও নিকোবরে রয়েছে ভারতের একাধিক সামরিক ঘাঁটি। এর মধ্যে প্রথম তিনটে ন্যাভাল বেস। আর আইএনএস উত্‍কর্ষ হল এয়ার স্টেশন। গত কয়েকবছর ধরেই এ দ্বীপ এলাকায় সামরিক তত্‍পরতা বাড়াচ্ছে দিল্লি। সেনা ঘাঁটিগুলোর ব্যাপক আধুনিকীকরণ হচ্ছে। কারণ নৌসেনা সূত্রে খবর মায়ানমারে কোকো দ্বীপপুঞ্জ থেকে আন্দামান ও নিকোবরে ভারতের উপরে নজরদারি চালাচ্ছে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি। আড়াই বছর আগে, আন্দামান সাগর ও গ্রেট নিকোবরে কোনও এলাকায় নতুন সামরিক বন্দর তৈরির কাজ শুরু করে প্রতিরক্ষামন্ত্রক। টপ সিক্রেট প্রকল্প।

কোন মিশন আন্দামানে, ভারতের হাতে কোন খাজানা?

আন্দামানের পূর্ব উপকূল থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে শ্রী বিজয়পূরম থ্রি। গত ১৪-১৫ মাস ধরে এখানে তেলের খোঁজ চলছে। তেল খুঁজতে গিয়ে মিলল গ্যাস। তেল সংস্থাগুলোর অনুমান, ওই এলাকায় ৩০ থেকে ৩৭ কোটি মেট্রিক টন পর্যন্ত হাইড্রোকার্বন মজুত আছে। এই হাইড্রোকার্বনই প্রাকৃতিক গ্যাস। গত শুক্রবার এক্স হ্যান্ডেলে সুখবরটা দিয়েছিলেন পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। কোচির গবেষণাগারে ওই গ্যাসের আইসোটোপ বা নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে। যতটা খবর পেলাম, এই গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ ৮৮ শতাংশের আশেপাশে। অর্থাত্‍ খুব ভাল মানের গ্যাস। সমুদ্রের ৩৫৫ মিটার গভীরে তেল খুঁজতে গিয়ে গ্যাস পাওয়া গেল কীভাবে? তেল খুঁজতে ওখানে দুটো কূপ খোঁড়া হয়েছিল। ওই কূপে খোঁড়াখুঁড়ি শুরুর ৫৬ দিনের মাথায় হঠাত্‍ করে ওখান থেকে গ্যাস বেরতে শুরু করে। গ্যাসের চাপে একটা কূপে সাময়িকভাবে কাজ বন্ধ করে দিতে হয়। তেল সংস্থা অয়েল ইন্ডিয়ার বিজ্ঞানীরা ততক্ষণে যখের ধনের সন্ধান পেয়ে গিয়েছেন। এরপরই তড়িঘড়ি এই গ্যাসের নমুনা কোচিতে পাঠানো হয়।

তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়িতে এবার ডাঁই করা স্কুল ড্রেস!

তৃণমূল কাউন্সিলারদের বাড়ি থেকে কী কী পাওয়া যাচ্ছে তা ইতিমধ্যে জানা গিয়েছে। কিন্তু এবারেরটা একটু বেশি অবাক করার, কারণ এবার তমলুকের তৃণমূল কাউন্সিলারের বাড়ি থেকে পাওয়া গেল ডাঁই করা স্কুল ড্রেস।