
দেবব্রত মণ্ডলের রিপোর্ট
দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ভোটের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে বড় ফাটল তৃণমূলের ঘরে। তৃণমূল ছাড়লেন একদল নেতা। শৈবাল লাহরীর নেতৃত্বে বিজেপিতে যোগদান একঝাঁক হেভিওয়েট নেতার। তাৎপর্যপূর্ণভাবে শুধু ক্যানিং নয়, পাশাপাশি গোসাবাতেও দল ছেড়েছেন অনেকে।
জানা যাচ্ছে,দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং-১ ব্লকের বর্তমান তৃণমূল ব্লক সভাপতি তথা জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহ-সভাপতি শৈবাল লাহরীর হাত ধরে এদিন পদ্ম শিবিরে সামিল হলেন এলাকার একাধিক প্রভাবশালী নেতৃত্ব।
এই যোগদানের ফলে ক্যানিং পশ্চিম এলাকায় তৃণমূলের সাংগঠনিক ভিত খানিকটা নড়ে গেল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কারণ, তৃণমূলের অত্যন্ত দক্ষ একজন সংগঠক ছিলেন এই শৈবাল। ফলত, তাঁর নেতৃত্বে এই যোগদান নিতান্তই তাৎপর্যপূর্ণ।
কারা কারা যোগদান করেছেন?
বিজন কৃষ্ণ মন্ডল: বাঁশড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বর্তমান অঞ্চল সভাপতি ও প্রাক্তন প্রধান।
খতিব সরদার: ইটখোলা অঞ্চলের বর্তমান সভাপতি ও প্রাক্তন প্রধান।
আসমত মোল্লা: গোপালপুর অঞ্চলের বর্তমান সভাপতি।
অর্ণব রায়: দিঘিরপাড় গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪ বারের প্রাক্তন প্রধান।
প্রতিমা সরদার: হাটপুকুরিয়া জিপি-র দীর্ঘদিনের প্রাক্তন প্রধান (২০১৩-২০২৩)।
সুমিত ঘোষ: ক্যানিং-১ ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) বর্তমান সভাপতি।
এছাড়াও সিরাজ উদ্দিন দেওয়ান (প্রাক্তন উপ-প্রধান, বাঁশড়া), রফিক সেখ (যুগ্ম আহ্বায়ক, নিগারিঘাটা), নন্দকিশোর সরদার (প্রাক্তন প্রধান, গোপালপুর), বদরোদ্দোজা সেখ (প্রাক্তন কর্মাধ্যক্ষ, পঞ্চায়েত সমিতি), এবং সঞ্জয় নস্কর ও শম্ভু বৈদ্যের মতো নেতৃত্বরা এদিন বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন।
বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, ক্যানিং-১ ব্লকের এই দলবদল নির্বাচনের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে বাঁশড়া, ইটখোলা, গোপালপুর ও তালদি অঞ্চলে তৃণমূলের সংগঠন এক প্রকার নেতৃত্বহীন হয়ে পড়ল।