AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bhangar: রাসায়নিক ভর্তি ড্রামে বিস্ফোরণে ঝলসে গিয়েছিল, বাঁচানো গেল না ৯ বছরের সাদিকুলকে

Child died: শোকের মধ্যেও ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা বলছেন, রাস্তা সংস্কারের কাজ চলার জন্য প্রায় ২০০ লিটার লাইট ডিজেল অয়েল (এলডিও) বোঝাই একটি ড্রাম রাস্তার পাশে রাখা ছিল। কেন কেমিক্যাল ভর্তি ড্রাম জনবসতিপূর্ণ এলাকায় পড়ে ছিল, সেই প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা। নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেন নেওয়া হয়নি, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, রাস্তার পাশে কেমিক্য়াল ভর্তি ড্রাম না রাখলে সাদিকুলকে হারাতে হত না।  

Bhangar: রাসায়নিক ভর্তি ড্রামে বিস্ফোরণে ঝলসে গিয়েছিল, বাঁচানো গেল না ৯ বছরের সাদিকুলকে
কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মৃত নাবালকের পরিজনরাImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 25, 2026 | 10:01 AM
Share

ভাঙড়: রাসায়নিক ভর্তি ড্রামে বিস্ফোরণের জেরে শরীরের ৯৫ শতাংশ ঝলসে গিয়েছিল। চিকিৎসা চলছিল এমআর বাঙুর হাসপাতালে। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিল। শেষ পর্যন্ত হেরে গেল ভাঙড়ের খড়গাছির ৯ বছরের সাদিকুল আহমেদ। বুধবার ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ছেলেকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছে সাদিকুলের পরিবার। সাদিকুলের পাশাপাশি আরও ২ জন গুরুতর জখম হয়েছিল। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি খড়গাছি এলাকায় রাস্তা তৈরির কাজে ব্যবহৃত কেমিক্যাল ভর্তি একটি ড্রাম হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়। সেইসময় সেখানে খেলছিল চার শিশু। বিস্ফোরণের জেরে আগুনে দগ্ধ হয় চার নাবালক। তার মধ্যে সাদিকুল-সহ ৩ জন গুরুতর জখম হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাদের উদ্ধার করে নলমুড়ি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।

তিন শিশুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের কলকাতার এমআর বাঙুর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই চিকিৎসা চলছিল সাদিকুলের। বুধবার ভোর পাঁচটা পঞ্চান্ন নাগাদ মৃত্যু হয় বছর নয়ের সাদিকুল আহমেদের। মৃতের পরিবার শোকে ভেঙে পড়েছে।

শোকের মধ্যেও ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা বলছেন, রাস্তা সংস্কারের কাজ চলার জন্য প্রায় ২০০ লিটার লাইট ডিজেল অয়েল (এলডিও) বোঝাই একটি ড্রাম রাস্তার পাশে রাখা ছিল। কেন কেমিক্যাল ভর্তি ড্রাম জনবসতিপূর্ণ এলাকায় পড়ে ছিল, সেই প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা। নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেন নেওয়া হয়নি, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, রাস্তার পাশে কেমিক্য়াল ভর্তি ড্রাম না রাখলে সাদিকুলকে হারাতে হত না।