
দক্ষিণ ২৪ পরগনা: যত দিন এগোচ্ছে পেঁয়াজের খোসা তত খুলছে। একে একে বেরিয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে মনে চেপে রাখা ক্ষোভ। কখনও নাম করে, কখনও আবার নাম না করে কিন্তু হাবেভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন দলের ঠিক কার কার প্রতি ক্ষোভ জমেছে। কাদের ব্যবহারে, তিনি অসন্তুষ্ট! সম্প্রতি বঙ্গ রাজনীতিকে তোলপাড় করে দেওয়া প্রতীক-উর রহমান এখনও তাঁর ক্ষোভ ব্যক্ত করে চলেছে। শুক্রবার তিনি ডায়মন্ড হারবারে সিপিএমের আক্রান্ত কর্মীদের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের কাছে ক্ষমাও চান। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “আমার সামনে অন্য কোন রাস্তা নেই। আমি রাজনৈতিক আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছি।”
এখন সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠক হয়েছে। কিন্তু এখনও দল তাঁকে নিয়ে কোনও অবস্থান স্পষ্ট করেনি। রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের নাম না করে আবারও প্রতীক-উর বলেন, “আমি দলের কাছে থেকে অব্যাহতি নিয়ে নিয়েছি। বহিষ্কার করবে না আমাকে রাখবে সেটা তো জানাতে পারতো। সেটা এখনও জানায়নি কেন ? কোথায় ভয় লাগছে ? কিসের সমস্যা হচ্ছে ?”
আবারও দলের কাছে তাঁর প্রশ্ন, “আমার ব্যাপারে দল কেন বুঝবে না ? কেন আমাকে নিজেকে বুঝতে হবে ? হুমায়ুনের সঙ্গে মিটিং করতে যেতে পারেন, অথচ প্রতীক-উরের সঙ্গে বসতে পারেন না ? এতটাই ব্রাত্য হয়ে গেছি আমি।” এর আগেই প্রতীক-উর স্পষ্ট করে দিয়েছেন, দলের অন্দরে প্রশ্ন করার অধিকার তাঁর কমে যাচ্ছিল। তিনি জানান, ‘বাংলা বাঁচাও যাত্রা’য় সৃজন ভট্টাচার্যের নাম কেন নেই, প্রশ্ন করেছিলেন তিনি। এটাই কি তাঁর অপরাধ? প্রতীকে সাফ জবাব, “এতদিন আপনাদের দলের খবর সবাই মিডিয়া আর সোশ্যাল মিডিয়ায় শুনত। এবার আমি মিডিয়া আর সোশ্যাল মিডিয়ায় বলব, আপনারা বসে বসে দেখুন।”