
দক্ষিণ ২৪ পরগনা: চূড়ান্ত তালিকায় ‘বিচারাধীন’। আর সেই আতঙ্কেই আত্মঘাতী! পরিবারের এমন দাবিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভার ঘোলা নয়াপাড়ার এক বাসিন্দার। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত রফিক আলি গাজি (৪১)। রাতে উস্তি থানার পুলিশ রাত আটটা নাগাদ বাড়ি থেকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় দিয়ে উদ্ধার করে। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরিবারের দাবি, এসআইআরের নোটিস আসার পর থেকে আতঙ্কে ছিলেন রফিক আলি। এরপর সমস্ত নথি জমা দিয়েছিলেন তিনি। বাড়ির সদস্যদের সেকথা জানিয়েওছিলেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বুঝিয়েছিলেন বারবার। ২৮ তারিখ যে তালিকা বের হয়, তা দেখতেও যান তিনি। বাড়ি ফিরে আসার পর থেকে মনমরা ছিলেন। রফিক আলির নাম বিচারাধীনের তালিকায় ছিল।
দোলের সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে ছিলেন না। একাই ছিলেন রফিক। পরিবারের সদস্যরা ফিরে এসে রফিককে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলতে দেখেন। পরে পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন মৃতের স্ত্রী। রফিক আলি গাজি এবং তাঁর পরিবারের পাঁচ জনের নাম বিচারাধীন তালিকায় রয়েছে। ১৪১ নম্বর বুথে আরও ১১১জন বাসিন্দার নাম বিচারাধীনের তালিকায় রয়েছে।
তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য জামসিদুল ইসলাম সর্দার বলেন, “সংখ্যালঘুদেরই বেশি বাদ দেওয়ার চক্রান্ত হয়েছে। নাম ২০০২ ভোটার তালিকায় থাকা সত্ত্বেও আমার নামটা বিচারাধীন। বাংলা জুড়েই এই অবস্থা। “