Purba Medinipur News: একটা গোটা শ্মশান বেচে দিলেন TMC নেতা? বড় অভিযোগ অশোক দিন্দার

Purba Medinipur: এ নিয়ে চিত্তরঞ্জনের দাদা ব্লক প্রশাসন ও পুলিশের কাছে অভিযোগও করেছেন বলে খবর। অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে, খালের বাঁধের পাশে সর্বসাধারণের যাতায়াতের রাস্তার ওই জায়গা টাকার বিনিময়ে বেআইনি ভাবে বিক্রি করছেন চিত্তরঞ্জন। এছাড়াও খালের পাশে থাকা শ্মশানের জায়গা বিক্রির চেষ্টা হচ্ছে।

Purba Medinipur News: একটা গোটা শ্মশান বেচে দিলেন TMC নেতা? বড় অভিযোগ অশোক দিন্দার
বাঁদিকে অশোক দিন্দা, ডানদিকে

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jan 07, 2026 | 1:29 PM

পূর্ব মেদিনীপুর: সরকারি সেচ দফতরের জমি বেআইনি ভাবে বিক্রি করেছেন তৃণমূল নেতা। এমনই অভিযোগ তুললেন ময়নার বিজেপি বিধায়ক অশোক দিন্দা। আর তারপরই পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না বিধানসভার তমলুক ব্লকের শ্রীরামপুর-১ গ্রামপঞ্চায়েতের তেলিপোতা বাজারে ওই ঘটনায় শোরগোল পড়েছে। বিধায়কের আরও দাবি, চিত্তরঞ্জন শ্রীরামপুর গ্রামের তেলিপোতা বাজারে হাঁসুয়াখালি খালের বাঁধ সংলগ্ন রাস্তার পাশে বেশ কিছুটা জায়গা লম্বা করে বেড়া দিয়ে ঘিরে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ নিয়ে এলাকার বাসিন্দা জ্যোৎস্না ভৌমিক চিত্তরঞ্জনের নামে ব্লক প্রশাসন ও পুলিশের কাছে অভিযোগও করেছেন বলে খবর। অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে, খালের বাঁধের পাশে সর্বসাধারণের যাতায়াতের রাস্তার ওই জায়গা টাকার বিনিময়ে বেআইনি ভাবে বিক্রি করছেন চিত্তরঞ্জন। এছাড়াও খালের পাশে থাকা শ্মশানের জায়গা বিক্রির চেষ্টা হচ্ছে। এই খবর পেয়ে খালের ধারে ওই এলাকা পরিদর্শনে যান ময়নার বিধায়ক অশোক দিন্দা। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথাও বলেন তিনি। তার পরেই অশোকের অভিযোগ, ‘খাল পাড়ের সর্বসাধারণের ব্যবহারের জায়গা। তৃণমূল নেতারা মোটা টাকার বিনিময়ে বিক্রি করছে। খালের পাশে সরকারি গাছ কেটে নিয়েছে। সর্ব সাধারণের জায়গা কীভাবে তৃণমূল নেতা বিক্রি করে সেই বিষয়ে বিডিও ও ভূমি সংস্কার দফতরের কাছে জানানো হয়েছে।”

যদিও গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা ও তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি চিত্তরঞ্জন বলেন, “তেলিয়াপোতা বাজারের কাছে ৭৬০ দাগে যে জায়গা নিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব অভিযোগ তুলেছেন, তা সম্পূর্ণ রায়ত জায়গা। ওই জায়গা আমি-সহ পাঁচজন কিনেছি। ওখানে রাস্তা বলে কিছু নেই। আর ওই জায়গায় খালের উল্টোদিকে ৭৬২ দাগে শ্মশানের জায়গা রয়েছে। যাতায়াতের জন্য আলাদা রাস্তাও রয়েছে। আমরা নিজেদের রায়ত জায়গা ঘিরে দিয়েছি। টাকার বিনিময়ে ওই জায়গা বিক্রির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”