AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

TMC MLA Attack: বারবার গাড়ি দাঁড় করিয়ে হামলা! মমতাপন্থী বিধায়ককে চড়-ঘুসি, খেতে হল ডিমও

Baruipur Attack: শনিবার নিজের বিধানসভা এলাকার অন্তর্গত ধোসা- চন্দনেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তিলপি গ্রামে গিয়েছিলেন জনসংযোগের কাজে। সেখান থেকেই ফেরার পথে বিধায়কের গাড়িতে জয়নগর থানার অন্তর্গত প্রথমে মনসাতলা এবং পরবর্তীতে গোয়ালবেড়িয়া হাটে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। 

TMC MLA Attack: বারবার গাড়ি দাঁড় করিয়ে হামলা! মমতাপন্থী বিধায়ককে চড়-ঘুসি, খেতে হল ডিমও
আক্রান্ত বিধায়ক বিভাস সর্দার।Image Credit: TV9 বাংলা
| Edited By: | Updated on: Oct 11, 2026 | 7:18 AM
Share

বারুইপুর: বারুইপুর পূর্ব বিধানসভার মমতাপন্থী তৃণমূলের বিধায়ক বিভাস সর্দারের উপরে হামলা। তার গাড়ি ভাঙচুর করা হল। জানা গিয়েছে, শনিবার নিজের বিধানসভা এলাকার অন্তর্গত ধোসা- চন্দনেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তিলপি গ্রামে গিয়েছিলেন জনসংযোগের কাজে। সেখান থেকেই ফেরার পথে বিধায়কের গাড়িতে জয়নগর থানার অন্তর্গত প্রথমে মনসাতলা এবং পরবর্তীতে গোয়ালবেড়িয়া হাটে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগের আঙুল উঠেছে বিজেপির স্থানীয় তিন নম্বর মণ্ডলের সভাপতি সন্দীপ নাইয়ার নেতৃত্বাধীন বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ওপরে। গাড়িতে বোম মারা পর্যন্ত অভিযোগ আনেন বিধায়ক। যদিও সেই বোমা ফাটেনি বলেও বিধায়ক জানিয়েছেন। তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়। ইট পাটকেল মারা হয়।এরপর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এমনকী, তাঁকে মারধোর পর্যন্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

এরপরই জয়নগর থানার অন্তর্গত ধোসা হাট ক্যাম্পের পুলিশ এসে বিধায়ককে উদ্ধার করে। এলাকার বাইরে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়। শনিবার রাতেই বিধায়ককে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়েছিল বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে।সেখানে সিটি স্ক্যান করানো হয়েছে।

বিধায়ক এই ঘটনায় সন্দীপ নাইয়া সহ বিজেপির নেতৃত্ব ও কর্মীদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ করেছেন। রাতেই পুলিশকে জানিয়েছেন। বিধায়ক  বিভাস সর্দার বলেন, “ধোসা-চন্দনেশ্বর থেকে ফেরার সময় মনসাতলায় ৮-১০ জন গাড়ি আটকায়। বলে এই নাম। আমি বলি যে তোমরা কারা, কী সমস্যা। তখন সঙ্গে সঙ্গে বলে যে তোকে মেরে ছাড়ব। শশ্মানে পাঠাব। বড় মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়ের ভক্ত হয়েছিস। বলেই একটা ইট মারে গাড়ির সামনের কাচে। ওখান থেকে যা হোক করে বেরিয়ে আসি। আমার সিকিউরিটির সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। এরপর গোয়ালবেড়িয়া হাটে বিজেপির ছেলেরা আমার মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে। বুকে চড় থাপ্পড় ঘুসি মেরে আমায় মারধর করে। অশ্রাব্য গালিগালাজ করে। কী কারণে হামলা আমি জানি না। আমায় বলেছে, তুই জিতলি কেন, তুই এখানে আছিস কেন?”

যদিও বারুইপুর পূর্ব বিধানসভার বিজেপির তিন নম্বর মন্ডল সভাপতি সন্দীপ নাইয়া পাল্টা অভিযোগ করেন যে বিধায়ক তিলপি এলাকায় গিয়ে তৃণমূলের নেতা ও মস্তানদেরকে একত্রিত করেছিল। শনিবার আবাস যোজনার সার্ভের কাজ ওখানে করা হচ্ছিল আর সেই কাজে বিজেপি কর্মীরা যুক্ত ছিল। সেখানে গিয়ে বিধায়ক  নানান ধরনের উস্কানিমূলক মন্তব্য করে আসেন। এরপর ধোসা হাটে বিধায়কের কাছে কৈফিয়ত চাইতে যান দলের কর্মী সমর্থকরা। তখন বিধায়কের গাড়ি জোরে চালিয়ে যাওয়ার কারণে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

তিনিই জানান যে ওই ঘটনার পর পরবর্তী সময়ে মনসাতলা এবং গোয়ালবেড়িয়া হাটে জনরোষের মধ্যে পড়েছিলেন তৃণমূলের বিধায়ক। তৃণমূল বিধায়কের গাড়ির চাকা পায়ের ওপর দিয়ে চলে যায়, তাতে বেশ কয়েকজন আহত হন বলে অভিযোগ। শনিবার রাতে ওই আহতদেরকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয় জয়নগর এক নম্বর ব্লকের পদ্মেরহাট ব্লক গ্রামীণ হাসপাতালে।

Follow Us