SIR: শুনানির মাঝেই মাইক্রো অবজারভার সপাটে ‘চড়’, হাতজোড় করে ক্ষমা চাইতে হল কমিশনের আধিকারিককে! কী কারণ?
Kumarganj: কুমারগঞ্জ বিডিও অফিস সংলগ্ন আইসিডিএস ভবনে এসআইআরের শুনানি হচ্ছিল। সেখানেই গিয়েছিলেন কমিশনের বিশেষ মাইক্রো অবজারভার। সারাদিন স্বাভাবিকভাবেই SIR ক্যাম্পের কাজ চলছিল। তবে সন্ধ্যার দিকে আচমকাই চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হয়।

উত্তর দিনাজপুর: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশই সার। রাজ্যে ফের আক্রান্ত কমিশনের আধিকারিক। ফরাক্কার পর দক্ষিণ দিনাজপুরে কুমারগঞ্জ, ফের টার্গেট মাইক্রো অবজারভার। এসআইআর-এর শুনানির সময়েই মাইক্রো অবজারভারকে সপাটে চড়। প্রাণ বাঁচতে হাতজোড় কমিশনের অফিসারের। পুলিশের সামনেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলে সরব বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার।
জানা গিয়েছে, কুমারগঞ্জ বিডিও অফিস সংলগ্ন আইসিডিএস ভবনে এসআইআরের শুনানি হচ্ছিল। সেখানেই গিয়েছিলেন কমিশনের বিশেষ মাইক্রো অবজারভার। সারাদিন স্বাভাবিকভাবেই SIR ক্যাম্পের কাজ চলছিল। তবে সন্ধ্যার দিকে আচমকাই চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হয়। অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী হঠাৎ ক্যাম্পের ভেতরে ঢুকে মাইক্রো অবজারভারের ওপর হামলা চালায়। মারধরের ফলে ওই সরকারি আধিকারিক অসুস্থ হয়ে পড়েন।
জানা যাচ্ছে, যখন ঘটনাটি ঘটে, তখন সেখানে কুমারগঞ্জ থানার পুলিশ, কুমারগঞ্জ থানার আইসি রামপ্রসাদ চাকলাদার নিজেই উপস্থিত ছিলেন। সেই সময়েই মাইক্রো অবজাভারকে কিল-চড়-ঘুষি মারা হয়েছে। বাড়িতে ফিরে মেইল মারফত জেলা পুলিশ সুপারের কাছে তিনি অভিযোগ দায়ের করেন। মেইলের প্রাপ্তিস্বীকার করেছে পুলিশ। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার কিংবা আটক করা হয়নি।
বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “এই রাজ্যে মাইক্রো অবজারভার আক্রান্ত হবেন, এটাই স্বাভাবিক। যে রাজ্যে সংবিধান এক্সিস্ট করে না, যে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান সংবিধানকে আক্রমণ করেন, সেই রাজ্যের এটা পরিচিত চিত্র।”
তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ পার্থপ্রতিম রায় বলেন, “আমি ঘটনাটা শুনেছি। তবে আমি এটাই নিশ্চিত হয়েছি, এই ঘটনার সঙ্গে SIR সম্পর্কিত কোনও তথ্য জড়িয়ে নেই। পার্কিং সংক্রান্ত বচসা থেকে ঘটনা। স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে ঘটনাটি ঘটেছে। কুমারগঞ্জে বা অন্য কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে যে ঘটনা ঘটছে, তা কাম্য নয়।”
