Election Commission: ইটাহারে শুনানি কেন্দ্রে তৃণমূল বিধায়কের নেতৃত্বে হামলার অভিযোগ, দ্রুত রিপোর্ট চাইল কমিশন

SIR in Bengal: পাল্টা বিজেপি তোপ দাগছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলছেন, “রাজনৈতিকভাবে পরিকল্পনা করে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে এসআইআর সেন্টারগুলিতে ভাঙচুর করা হচ্ছে।’

Election Commission: ইটাহারে শুনানি কেন্দ্রে তৃণমূল বিধায়কের নেতৃত্বে হামলার অভিযোগ, দ্রুত রিপোর্ট চাইল কমিশন
রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোরImage Credit source: Social Media

| Edited By: জয়দীপ দাস

Jan 22, 2026 | 5:39 PM

ইটাহার: ফারাক্কায় বিডিও অফিসে হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যেই তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এবার ইটাহারে শুনানি কেন্দ্রে হামলার ঘটনায় এবার রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন। এখানেও তৃণমূল বিধায়কের নেতৃত্বে শুনানি কেন্দ্রে হামলার অভিযোগ রয়েছে। সেই ঘটনারই রিপোর্ট উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসকের কাছ থেকে চাইল নির্বাচন কমিশন। 

এদিন ইটাহার হাইস্কুলে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। স্কুলে টেবিল-চেয়ার-বেঞ্চ ভেঙে তছনছ করে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনাতেই তৃণমূল বিধায়ক মোশারফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। এবার এ ঘটনাতেই দ্রুত উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসকের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল নির্বাচন কমিশন। 

সেই মোশারফ আবার ঘুরিয়ে নির্বাচন কমিশন, বিজেপির বিরুদ্ধে আগেই তোপ দেগেছেন। বলছেন, “ওরা দানব, ভয়ঙ্কর দানব। এদের লাশ দরকার। মানুষের হয়রানি করছে ওরা। তার জেরেই একটা সাধারণ মানুষের প্রাণ চলে গেল। আজ সকালে ওনার এসআইআরের হিয়ারিং ছিল। কিন্তু কাগজ খুঁজে না পেয়ে আতঙ্কে গলায় ফাঁস দিয়ে মারা গেল। এর দায় বিজেপিক নিতে হবে। আমরা লড়ছি। আপনারা দুশ্চিন্তা করবেন না।”  

পাল্টা বিজেপি তোপ দাগছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলছেন, “রাজনৈতিকভাবে পরিকল্পনা করে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে এসআইআর সেন্টারগুলিতে ভাঙচুর করা হচ্ছে। তৃণমূল তো সর্বাত্মকভাবে এসআইআর বন্ধেরই চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সেটা তারা সফল হয়নি। সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখবার। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী নানা জায়গায় উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখছেন, ফলে তাঁর চ্যালারা এই ধরনের কাজ করবেন। নির্বাচন কমিশনকে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।”