
ঢাকা: অনুদান পাঠাচ্ছে শি জিনপিঙের দেশ। দু’বছর আগে প্রস্তাবিত প্রকল্প বাস্তবায়িত হতে চলেছে ইউনূসের জমানায়। আরও কাছাকাছি বাংলাদেশ-চিন। কিন্তু কোন কাজের জন্য় টাকা পাঠাবে বেজিং? জানা গিয়েছে, চিনের অনুদানে হাসপাতাল নির্মাণ করবে বাংলাদেশ।
এদিন বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসচিব সাইদুর রহমান প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, ‘রংপুরের নীলফামারীতে চিনের অনুদানে একটি ভাল হাসপাতাল তৈরি হবে। অবকাঠামো বেজিং তৈরি করে দেবে। জনবল নিয়োগ করবে বাংলাদেশের সরকার।’ গত বছর বাংলাদেশ-চিনের উদ্যোগে দেশজুড়ে মোট তিনটি হাসপাতাল তৈরির কথা ঘোষণা করেছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক। নীলফামারীতে বিশেষায়িত হাসপাতাল, চট্টগ্রামে একটি জেনারেল হাসপাতাল ও ঢাকায় একটি পুনর্বাসন হাসপাতাল।
যার মধ্যে নীলফামারীতে বিশেষায়িত হাসপাতাল তৈরির কাজে এবার হাত দিতে চলেছে ঢাকা। সম্প্রতি চিনা রাষ্ট্রদূতের যমুনা সফরের পরেই শনিবার এই হাসপাতাল তৈরির কথা জানাল সেদেশের স্বাস্থ্য দফতর। জানা গিয়েছে, এই বিশেষ হাসপাতাল তৈরিতে বাংলাদেশি মুদ্রায় মোট বরাদ্দ হয়েছে ২ হাজার ২৯২ কোটি টাকা। যার মধ্য়ে চিনের সরকার দেবে ২ হাজার ২১৯ কোটি টাকা। বাংলাদেশের সরকার দেবে বাকি ৭৩ কোটি টাকা।
আগামী সপ্তাহে অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বৈঠকে এই প্রকল্প অনুমোদনে সম্ভবনা রয়েছে। যা অনুমোদন পেলে ২০২৮ সালের মধ্য়ে শেষ হবে হাসপাতাল বাস্তবায়নের কাজ। এই হাসপাতালে ভবন হবে ১০ তলা। থাকবে বর্জ্য ব্য়বস্থাপনা, হেলিপ্যাড এবং অটোমেটেড অ্যাম্বুল্যান্স সিস্টেম। হাসপাতালের যন্ত্রপাতি কেনার জন্য ৯৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ভবন নির্মাণে ৮০২ কোটি টাকা। এছাড়াও, সোলার প্যানেল, সিসিটিভি-সহ আনুষাঙ্গিক খরচ মিলিয়ে বরাদ্দ হয়েছে ২৪৮ কোটি টাকা।