
ঢাকা: বাংলাদেশে হিন্দুদের উপরে অত্যাচার থামছেই না। একের পর এক হিন্দু নাগরিক হত্যার ঘটনা সামনে এসেছে। সোমবারই যশোরে হিন্দু সাংবাদিক তথা ব্যবসায়ী রাণাপ্রতাপ বৈরাগীকে খুন করা হয়। অন্যদিকে, ঢাকার নরসিংদীতেও মণি চক্রবর্তী নামক আরেক হিন্দু ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এর মাঝেই সামনে এল আরও এক ভয়ঙ্কর চিত্র। বাংলাদেশে গণধর্ষণের শিকার এক হিন্দু মহিলা। পাশবিক অত্যাচার করেই থামেনি, তাঁকে গাছে বেঁধে, চুল কেটে নেয় অভিযুক্তরা। সেই নির্যাতনের ভিডিয়োও ভাইরাল করে দেওয়া হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।
নক্কারজনক এই ঘটনাটি ঘটেছে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে। ওই মহিলাকে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। সিগারেট দিয়ে শরীরের একাধিক অংশ পুড়িয়েও দেওয়া হয়। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ওই মহিলা। তাঁর বুকে, গোপনাঙ্গে একাধিক ক্ষত রয়েছে।
প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই মহিলা অভিযুক্তদের মধ্যে একজনের ভাইয়ের কাছ থেকে বছর দেড়েক আগে ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে জমি কিনেছিলেন। সেই সময় থেকেই অভিযুক্তদের একজনের কুনজর ছিল। ওই বিধবা মহিলাকে নানা সময়ে কুপ্রস্তাবও দিয়েছিল। গত শনিবার সন্ধ্যায় ওই মহিলার বাড়িতে কয়েকজন আত্মীয় এসেছিলেন, সেই সময় অভিযুক্তরা জোর করে ঘরে ঢুকে টাকা দাবি করে এবং বাকিদের মারধর করে আটকে রাখে। অন্য ঘরে মহিলাকে গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। মহিলা সম্মান বাঁচাতে চিৎকার করলে, তাঁকে মারধর করে বাইরে গাছের সঙ্গে বাঁধে অভিযুক্তরা এবং চুল কেটে নেয়। মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। বাকিদের খোঁজ চলছে।