Bangladesh Update: ইউনূসের প্রচারে যোগ ইসলামী দলের, গণভোট নিয়ে নীরব তারেক

Bangladesh Election: সেদেশের রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে এক বছরের বেশি সময় আলোচনার পর জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি করে অন্তর্বর্তী সরকার। তারপর এর বাস্তবায়নের জন্য গণভোট আয়োজনের ঘোষণা করে তারা। সংস্কারকে সামনেই রেখেই গণভোটে 'হ্য়াঁ' ভোট দেওয়ার প্রচারে নেমেছে ইউনূস সরকার। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলিকেও সেই প্রচারে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে তাঁরা।

Bangladesh Update: ইউনূসের প্রচারে যোগ ইসলামী দলের, গণভোট নিয়ে নীরব তারেক
প্রতীকী ছবিImage Credit source: Getty Image

|

Jan 25, 2026 | 3:14 PM

ঢাকা: বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের দিনেই হবে গণভোট। অনেক আগেই তা জানিয়ে দিয়েছিল সেদেশের নির্বাচন কমিশন। এরপরেই আসরে নামে অন্তর্বর্তী সরকার। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাতে শুরু করে তারা। এই প্রচারের সমর্থন জোগায় জামায়াত ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টির মতো দলগুলিও।

কিন্তু জাতীয় নির্বাচন যখন হচ্ছেই, সেখানে গণভোটের কী প্রয়োজনীয়তা? কোন কাজে এই ভোটাভুটি করাচ্ছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার? মূলত, জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান-সংক্রান্ত সুপারিশকেই আইন ভিত্তিতে গণভোটের কায়দায় তুলে ধরছে অন্তবর্তী সরকার। খুব সহজ ভাবে বলতে গেলে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর অর্থ বাংলাদেশে সংবিধানের বিরাট সংশোধন।

সেদেশের রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে এক বছরের বেশি সময় আলোচনার পর জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি করে অন্তর্বর্তী সরকার। তারপর এর বাস্তবায়নের জন্য গণভোট আয়োজনের ঘোষণা করে তারা। সংস্কারকে সামনেই রেখেই গণভোটে ‘হ্য়াঁ’ ভোট দেওয়ার প্রচারে নেমেছে ইউনূস সরকার। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলিকেও সেই প্রচারে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে তাঁরা। কিন্তু এক পক্ষ সরব হলেও, এই মর্মে অন্য পক্ষ একেবারে নীরব।

২২ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রচার শুরুর অনুমতি পেয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। সেদিনই সিলেটে প্রচারে নামেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জনসভা থেকে নানা বিষয়ে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। কিন্তু গণভোট নিয়ে একটা শব্দ খরচ করেননি তারেক। কিন্তু ওই একই দিনে রাজধানীর মিরপুরে জামায়াত ও এনসিপির নেতৃত্বাধীন জোট নির্বাচনী জনসভা করে। সেখানে নেতারা জোটের পক্ষে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি তুলে ধরেন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার প্রসঙ্গও। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এবারের নির্বাচন কেবল প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন নয়, এতে গণভোটও রয়েছে। আমরা সবাই গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেব।’

বাংলাদেশের বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গণভোট নিয়ে বিএনপি কার্যত দ্বিধাবিভক্ত। দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে শীর্ষ নেতৃত্বের অবস্থান স্পষ্ট নয়। তাই কেউ নিজেদের সমাজমাধ্যমে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার কথা বলছেন। কেউ বা বলছেন ‘না’ ভোট দেওয়ার। তবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘জনগণের দায়িত্ব ভোট দেওয়া, তারা যা করবেন, তাই হবে।’ তবে বিএনপির তৃণমূল স্তরের বেশ কিছু নেতা বলছেন ‘না’ ভোট দেওয়ার কথা। অন্তর্বর্তী সরকারের ‘হ্যাঁ’ প্রচার নিয়ে তোপ দাগছে তারা। নিরপেক্ষতা নিয়েও তুলছে প্রশ্ন।