
ঢাকা: ইউনূস দিয়েছেন নয়া অধ্যাদেশ। তারেক দিলেন প্রতিশ্রুতি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যোগ দেওয়া আন্দোলনকারীদের মুক্তিযোদ্ধাদের আসনে বসাতে চায় বিএনপি। সরকার গঠন করতে পারলে জুলাই গণঅভ্য়ুত্থানে শহিদ ও আহত ব্যক্তিদের পরিবার-পরিজনকে দেখভালের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রকের অধীনে আরও একটি বিভাগ খুলে দেওয়া হবে বলেই জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রবিবার ঢাকার খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদ ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে বিএনপি। যেখানে উপস্থিত ছিলেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এদিন ওই সভা থেকেই খালেদা-পুত্র বলেন, ‘আমরা যাঁকে হারিয়েছি, তাঁকে তো ফিরিয়ে আনা যাবে না। কিন্তু যাঁরা পিছনে রয়ে গিয়েছেন, তাঁদের পরিবার-পরিজনদের সকল সুযোগ-সুবিধা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কারণ আপনারাও মুক্তিযোদ্ধা, আপনারাও যোদ্ধা।’
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের দেখভালের জন্য বাংলাদেশে এই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রক তৈরি হয়েছিল। তারেকের মতে, শেখ হাসিনার ‘ফ্য়াসিবাদী সরকারের’ বিরুদ্ধে যাঁরা লড়াই চালিয়েছেন তারাও একই ধারার যোদ্ধা। এদিন ঢাকায় আয়োজিত বিএনপির এই সভায় নিজেদের কষ্টের কথা, স্বজন হারানোর কথা তুলে ধরে শহিদ পরিবারগুলি। যা শুনে এক পলকে চোখ মুছতে দেখা যায় তারেক রহমানকে। নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তার সঙ্গে আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যোগ দেওয়া আন্দোলনকারীদের জন্য একটি বিশেষ অধ্যাদেশ অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। ওই অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্য়ুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের কাউকে কোনও দিন ওই সময়কালে করা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য কোনও রকম ফৌজদারি মামলায় জড়ানো যাবে না। এবার ইউনূসের মতো জুলাই অভ্যুত্থানের শহিদদের নিয়ে বড় প্রতিশ্রুতি তারেকের।