
ঢাকা: নৈরাজ্যের বাংলাদেশ। ভোটের আগেই খুন আরও এক রাজনৈতিক নেতা। এবার নিশানায় বিএনপি নেতা। বুধবার, ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের ঢাকায় তেজগাঁওয়ে তেজতুরী বাজার এলাকায় গুলি করে খুন করা হয় আজিজুর রহমানকে। তাঁর সঙ্গে থাকা আরও একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তিনি বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি। বাংলাদেশে এক মাস বাদেই ভোট। ঠিক তার আগেই একের পর এক রাজনৈতিক নেতার উপরে হামলা, তাদের খুনের ঘটনা উত্তেজনা বাড়িয়েছে।
জানা গিয়েছে, গতকাল রাত সাড়ে আটটা নাগাদ তেজগাঁওয়ের তেজতুরী বাজারে আচমকাই হামলা চালানো হয় আজিজুর রহমানের উপরে। আজিজুর বিএনপির শাখা সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা তথা ঢাকার প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক। কেন তাঁর উপরে হামলা চালানো হল, তা স্পষ্ট নয়।
প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আজিজুরের পেটে গুলি লেগেছিল। তেজগাঁও-র অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ফজলুল করিম জানিয়েছেন, রক্তাক্ত অবস্থায় আজিজুরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। তাঁর সঙ্গে থাকা সুফিয়ানও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সুফিয়ান কারওয়ান বাজার ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বুধবার রাতে আজিজুর, সুফিয়ান ও কয়েকজন স্টার কাবাবের গলিতে আড্ডা দিচ্ছিলেন, সেই সময় হঠাৎ দুষ্কৃতীরা বাইক নিয়ে আসে এবং এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। আজিজুরের গুলি লাগতেই দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়।
বিএনপি নেতার খুনের খবর সামনে আসতেই শুরু হয় বিক্ষোভ-অবরোধ। কারওয়ান বাজারে সার্ক ফোয়ারা মোড় অবরোধ করে বিক্ষুদ্ধ লোকজন। পরে রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ সেনা নামিয়ে বিক্ষোভকারীদের সরানো হয়।